Air India: নিরাপত্তা ঘাটতি! ডিজিসিএ’র অডিটে এয়ার ইন্ডিয়ার ১০০-র বেশি নিয়মভঙ্গ ধরা পড়ল
একটি বিস্তৃত পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে ডিজিসিএ প্রায় এয়ার ইন্ডিয়ার ১০০টিরও বেশি নিরাপত্তা লঙ্ঘনের তথ্য সামনে আনে।
Truth of Bengal: এয়ার ইন্ডিয়ার নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক ত্রুটি চিহ্নিত করল ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ। চলতি মাসের শুরুতে গুরগাঁওয়ে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে একটি বিস্তৃত পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে ডিজিসিএ প্রায় এয়ার ইন্ডিয়ার ১০০টিরও বেশি নিরাপত্তা লঙ্ঘনের তথ্য সামনে আনে। যার মধ্যে ৭টি ‘লেভেল-১’ বা গুরুতর ত্রুটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।১ জুলাই থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত এই নিরীক্ষায় সংস্থার পরিচালন, উড়ান সূচি, কর্মী নিযুক্তি, প্রশিক্ষণ, বিশ্রাম সংক্রান্ত বিধি সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র খতিয়ে দেখা হয়।ডিজিসিএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়া ক্রু প্রশিক্ষণ, বিশ্রামের সময়সীমা, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্রুর অভাব সহ একাধিক বিষয়ের কথা উল্লেখিত হয়।ডিজিসিএ এই ত্রুটিগুলিকে ‘লেভেল-১’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে (Air India)।
আরও পড়ুন: Teesta Flood Alert: বেশ কিছু পরিবারকে সরানো হয়েছে-কিন্তু কেন?
বলা যায়, এই লেভেল-১ কে নিরাপত্তা ঝুঁকি বলে ধরা হয় এবং এর জন্য অবিলম্বে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া বাধ্যতামূলক।এই তথ্য সামনে আসার পর এয়ার ইন্ডিয়া একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, তারা ডিজিসিএ-র রিপোর্ট পেয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তার জবাব পাঠাবে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ‘সব এয়ারলাইন সংস্থার ক্ষেত্রেই নিয়মিত অডিট হয় যাতে বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে আরও মজবুত করা যায়। জুলাই মাসে আমাদের বার্ষিক ডিজিসিএ অডিট হয়েছিল, যেখানে আমরা পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা ডিজিসিএ-র পর্যবেক্ষণ গ্রহণ করেছি এবং এর প্রতিক্রিয়ায় সময়মতো সংশোধনী পদক্ষেপ সহ উত্তর জমা দেব। যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তাই আমাদের অগ্রাধিকার।‘ উল্লেখ্য, গত ১২ জুন আমদাবাদে টেকঅফের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার (Air India)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/
দুর্ঘটনায় সব মিলিয়ে ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা, তা জানতে তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি, সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এমন নানা সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এরপর থেকেই ডিজিসিএ এবং এএআইবি এয়ার ইন্ডিয়ার উপর নজরদারি বাড়িয়েছে।২১ জুন ডিজিসিএ তিনজন আধিকারিককে ক্রু রোস্টারিং ও শিডিউলিং সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর ২৩ জুলাই চারটি শোকজ নোটিস পাঠানো হয় প্রশিক্ষণ, বিশ্রাম এবং অপারেশনাল নিয়মভঙ্গের অভিযোগে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরপরই ডিজিসিএ-র এই বিস্তারিত অডিট ও কড়া পর্যবেক্ষণ সংস্থার নিরাপত্তা মান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। এখন দেখার, এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এয়ার ইন্ডিয়া কী পদক্ষেপ নেয় এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা ভবিষ্যতে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে (Air India)।






