আর্থিক বন্টনে দ্বিচারিতা প্রসঙ্গে সংসদে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের মুখে মোদি সরকার
The Modi government is under severe attack from the opposition in the Parliament regarding the double-dealing in financial distribution

The Truth Of Bengal: গদি বাঁচাতে অন্ধ্র-বিহারকে ঢালাও অর্থ সাহায্য দেওয়া হলেও কেন বাংলাকে বঞ্চনা করা হচ্ছে,এই প্রশ্ন তুলে সংসদে ঝড় তুলতে তত্পর বিরোধীরা।যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠরোধ করতে মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়,তা মোটেই ভালোভাবে নিচ্ছে না বিরোধী শিবির। ইন্ডিয়া জোটের সোচ্চার প্রতিবাদ,বিজেপি শাসিত বা শরিকদের নিয়ন্ত্রিত রাজ্যগুলোকে বাজেটে ঢালাও অর্থ দেওয়া হলেও কেন বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলো কোনঠাসা করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্থার প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে ও বাইরে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী শিবিরের আন্দোলন দানা বাঁধছে। যার জেরে দুর্বল তৃতীয় মোদি সরকার অনেকটাই চাপের মুখে।অধিবেশন শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সিনিয়র মন্ত্রীদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। মূলতঃ সংসদে এনডিএ-র রণকৌশল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন। জাতীয় স্তরে বিরোধীদের মোকাবিলা করা যে কঠিন হচ্ছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বিজেপি।
শনিবার নীতি আয়োগের বৈঠকে অন্যান্য অবিজেপি শাসিত ৭রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা না গেলেও যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলার ১লক্ষ ৭১হাজার কোটি টাকা চেয়ে মুখ খোলেন। তারপরই দাবি পেশ করতে গেলে মমতার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৫মিনিটের মাথায় তাঁর মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুকে ২০মিনিট বলতে দেওয়া হলেও কেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে ৫মিনিটের মাথায় থামিয়ে দেওয়া হল,সেই প্রশ্ন সংসদে তুলতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস।তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস,ডিএমকে,সমাজবাদী পার্টি,আরজেডি সহ ইন্ডিয়া জোটের অন্যান্য সদস্যরা।
এর আগে সংসদে রাহুল গান্ধীও মহুয়া মৈত্রের মাইক করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। শুধু সংসদের ভিতরেই নয়,যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রাণকেন্দ্র নীতি আয়োগের বৈঠকেও বিরোধী শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মুখের কথা কেড়ে নেওয়ার এই গুরুতর অভিযোগ যে শাসক শিবির এনডিএ-কে বিঁধছে তা বিজেপির ঘনিষ্ঠরাও বুঝতে পারছে।তাই আগামীদিনে এই মাইক বন্ধের সরকার বলে মোদি সরকারকে তুলোধনা করতে সংসদও সংসদের বাইরে প্রচারের ধার বাড়াতে চায় ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা ।






