বারাসতের গণপিটুনির ঘটনার জেরে গুজব রুখতে পথে পুলিশ সুপার
Superintendent of Police on the way to stop rumors due to the incident of public beating in Barasat

The Truth Of Bengal : শিশু চুরির ঘটনায় গুজব ছড়ানোকে কেন্দ্র করে যখন উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত বারাসত ঠিক সেই সময় এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পথে নামলেন খোদ পুলিশ সুপার। পথে নেমে রীতিমতো স্কুলের সামনে থাকা অভিভাবক অভিভাবিকাদের সঙ্গে নিজে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি আবেদন করেন কোনরকম গুজবে কান না দিতে।
“গুজবে কান দেবেন না” pic.twitter.com/JgQs351ynj
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) June 21, 2024
বেশ কয়েকদিন ধরে ছেলে ধরা গুজবে তেঁতে রয়েছে বারাসাত। গুজবের জেরে ঘটেছে একাধিক গণপিটুনির ঘটনাও। আর যার সামাল দিতে পথে নেমেছে পুলিশ ফোর্স। পড়তে হয়েছে হামলার মুখে। চুরির গুজবের ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বারাসত জেলা পুলিশকে দেখা গিয়েছিল বাড়তি সতর্কতা নিতে। উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে বারাসতের প্রতিটি স্কুলে বসেছে পুলিশ পিকেট। গণপিটুনির ঘটনা রোধে লিফলেট হাতে রাস্তায় নেমে পড়েছেন জেলার পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখাড়িয়া। অভিভাবকদের হাতে লিফলেট দিয়ে তাদেরকে এই গুজবে কান না দেওয়ার জন্য আবেদন জানান।
গুজব রুখতে পথে পুলিশ সুপার pic.twitter.com/klyJV12Hwz
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) June 21, 2024
অভিভাবক অভিভাবিকাদের আশ্বস্ত করে এসপি প্রতীক্ষা জানান, শিশু চুরির মত কোন ঘটনা আদতে ঘটেনি। পুরোটাই গুজব। তাই ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। সেই গুজবে যেন মা-বাবারা কান না দেন। তিন আরও জানান, এই গুজব যারা ছড়িয়েছে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও লিফলেট বিলি করা হচ্ছে কেউ যাতে আতঙ্কিত না হয়ে পড়েন। সাধারণ মানুষকে সচেতন করছি। তিনি বলেন, “ইতিমধ্যেই দুটো ফেক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আমাদের নজরে এসেছে। সেখানে এই বাচ্চা চুরির গুজব সংক্রান্ত যেসব ভিডিও পোস্ট করা হয়েছিল সব ইতিমধ্যেই ডিলিট করিয়েছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগে এক তরুণী সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছি। সব মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছি। এর সঙ্গে যদি আরও কেউ জড়িত থাকে তাহলে তাদেরকেও গ্রেফতার করবো।”
পুলিশ সুপারের দাবি, “আমি একজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানতে পারি ওই অভিভাবক ১১ বছর ধরে এখানে আসছেন কিন্তু কোনদিন এরকম কিছু শোনেননি। তাই এটা সম্পূর্ণ গুজব। গতকাল এখানে দুটি অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটেছিল। তাই আমি নিজে এখানে এসেছি।”






