“দলটা চিরতরে উঠে যাক!” তৃণমূলের প্রতীক-যুদ্ধের মাঝেই বিস্ফোরক দিলীপ
তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে চলা টানাপড়েন প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “দেখা গেল কেউ প্রতীক পেল না
Truth of Bengal: তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির, না ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দখলে যাবে, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। শনিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে দুই শিবিরকে নিয়ে চলছে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি। আর সেই প্রতীক-যুদ্ধের মধ্যেই তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে চলা টানাপড়েন প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “দেখা গেল কেউ প্রতীক পেল না। আমরা চাই এই দলটা চিরতরে উঠে যাক। পশ্চিমবাংলার অনেক সর্বনাশ হয়েছে। রাজনীতিকে কলুষিত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।” তাঁর আরও দাবি, বর্তমানে তৃণমূলের অস্তিত্ব নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছে।
দিলীপের কথায়, “তৃণমূল কোথায়, সেটাই তো বোঝা যাচ্ছে না। কুণাল ঘোষের কথায় তৃণমূল মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তিনি যতদিন আছেন, তাঁকে দেখলে মনে হবে তৃণমূল কংগ্রেস বলে একটা দল ছিল।” তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের আবহে তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক তরজা বাড়িয়েছে। এদিকে, জোড়াফুল প্রতীকের মালিকানা নিয়ে শনিবার নির্বাচন কমিশনে শুনানির জন্য দুই শিবিরকেই ডাকা হয়। প্রথমে কমিশনের সামনে হাজির হয় ঋতব্রত শিবির। তাদের তরফে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, আখরুজ্জামান এবং আইনজীবী আমন ঝাঁ কমিশনের দপ্তরে যান।
প্রায় এক ঘণ্টা ২০ মিনিট ধরে চলে বৈঠক। শুনানি শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত শিবিরের তরফে জানানো হয়, কমিশনের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। কমিশন যে সমস্ত নথি চেয়েছিল, সেগুলিও জমা দেওয়া হয়েছে। বৈঠক নিয়ে তাঁরা সন্তুষ্ট এবং জোড়াফুল প্রতীক পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বলেও দাবি করা হয়। কমিশনের বৈঠক থেকে বেরিয়ে ঋতব্রত সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরকে নিশানা করেন। অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের শুনানির পর কমিশনের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে যায় মমতাপন্থী শিবির।






