২০২৮-এর ডেডলাইন, কর্মরত শিক্ষকদের টেট নিয়ে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের
মূল প্রশ্ন এনসিটিই নির্ধারিত ন্যূনতম শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা নিয়ে।
Truth of Bengal: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতে রাজ্যে কর্মরত বা ইন-সার্ভিস শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য বিশেষ টেট (TET) আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করল রাজ্য সরকার। ১১ সেপ্টেম্বর বিকাশ ভবন থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের শীর্ষ কর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই বিশেষ পরীক্ষা কবে নেওয়া সম্ভব, তা লিখিতভাবে জানতে চেয়েছে স্কুলশিক্ষা দফতর।
তবে এই পরীক্ষাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে শিক্ষক মহলে। মূল প্রশ্ন এনসিটিই নির্ধারিত ন্যূনতম শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা নিয়ে। ১৫-২০ বছর আগে চাকরিতে যোগ দেওয়া অনেক শিক্ষকেরই বর্তমানে টেটে বসার জন্য প্রয়োজনীয় ডি.এল.এড বা বি.এড যোগ্যতা নেই। ফলে তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারবেন কি না এবং টেট উত্তীর্ণ হতে না পারলে চাকরিতে কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
পর্ষদ ও কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ৩১ অগস্ট ২০২৮-এর সময়সীমা সামনে রেখে সম্ভাব্য পরীক্ষার সূচি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। সেই সময়সূচি দ্রুত স্কুলশিক্ষা দফতরের কাছে পাঠানো হবে।
প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষকতার ক্ষেত্রে আরটিই আইন এবং এনসিটিই-র নিয়ম অনুযায়ী টেট পাশ বাধ্যতামূলক। ২০১১ সালের আগে নিযুক্ত শিক্ষকদের ছাড় দেওয়ার দাবিতে একাধিক শিক্ষক সংগঠন আদালতের দ্বারস্থ হলেও টেটের বাধ্যবাধকতা বহাল রয়েছে। তবে যাঁদের অবসরের পাঁচ বছর বা তার কম সময় বাকি, তাঁদের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।




