রাজ্যের খবর

গরমে পুড়ছে সিউড়ি! এসি-কুলার নয়, মধ্যবিত্তের প্রাণ বাঁচাতে ত্রাতা এখন শুধুই ইলেকট্রিক ফ্যান

এই অসহ্য গরমকে টেক্কা দিতে এখন সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইলেকট্রিক ফ্যান।

পার্থ দাস, বীরভূম: বীরভূম জেলা জুড়ে গত কয়েক দিন ধরে চলা তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চৈত্র-বৈশাখের এই দহনজ্বালায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সূর্যের তেজ, যার ফলে চরম অস্বস্তিতে দিন কাটাচ্ছেন জেলাবাসী। গরমের হাত থেকে বাঁচতে মানুষ কখনো গাছের ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছেন, আবার কেউ হাতপাখার বাতাসে শরীর জুড়োনোর চেষ্টা করছেন। তবে এই অসহ্য গরমকে টেক্কা দিতে এখন সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইলেকট্রিক ফ্যান।

তীব্র গরমের এই সুযোগে বীরভূমের বিভিন্ন ইলেকট্রিক সরঞ্জামের দোকানগুলিতে এখন তুঙ্গে বিকিকিনি। বিশেষ করে সিউড়ির দোকানগুলির চিত্র নজর কাড়ার মতো। দেখা যাচ্ছে, সেখানে নামী-দামী ব্র্যান্ড থেকে শুরু করে সাধারণ মানের সব ধরনের বৈদ্যুতিক পাখার পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। দোকানগুলিতে সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান এবং বড় স্ট্যান্ড ফ্যানের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। উচ্চবিত্তরা এসি বা কুলারের দিকে ঝুঁকলেও, জেলার মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে গরম থেকে বাঁচার একমাত্র অস্ত্র হয়ে উঠেছে হাই-স্পিড ইলেকট্রিক ফ্যান।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন তাপমাত্রা যেভাবে বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সিউড়ির কোনো কোনো দোকানে দিনে একশোর বেশি ফ্যান বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির হাই-স্পিড পাখাগুলি বেশি পছন্দ করছেন যাতে অল্প সময়ে ঘর ঠান্ডা করা সম্ভব হয়। ছোট-বড় নির্বিশেষে সব ধরনের পাখার স্টকেই টান পড়ার উপক্রম হয়েছে। দোকানগুলিতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের আনাগোনা লেগেই থাকছে।

Related Articles