দেশ

গোপালকে নিয়ে বিউটি পার্লারে মহিলা! ভিডিও ভাইরাল হতেই ছিছিক্কার নেটপাড়ায়

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেটমাধ্যমে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা

Truth of Bengal: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক মহিলা শ্রীকৃষ্ণের বালক রূপ ‘লাড্ডু গোপাল’ বা কানহাজির একটি মূর্তি নিয়ে গিয়েছেন একটি সেলুনে, সেখানে মূর্তিটির চুল ধোয়ানোর জন্য। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেটমাধ্যমে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।

মূল ভিডিওটি মণীশ আরজে নামক এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর শেয়ার করেছিলেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল যে আজ কানহাজি স্যালুনে চুল ধোয়াতে গিয়েছেন। পরবর্তীতে বৈদিক উইজডম নামের একটি পেজ থেকে ভিডিওটি পুনরায় শেয়ার করে কড়া মন্তব্য করা হয়। সেখানে জানানো হয় যে এটি ভক্তি নয়, বরং একটি মানসিক সমস্যা এবং সংশ্লিষ্ট মহিলার চিকিৎসার প্রয়োজন। শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা অনুসরণ না করে এমন অর্থহীন কাজ করাকে তারা দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অনেক ব্যবহারকারী মনে করছেন হিন্দু ধর্মে নির্দিষ্ট কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম না থাকার সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ এমন আজব কর্মকাণ্ড করছে। এক নেটিজেনের মতে সঠিক শিক্ষার অভাব এবং যুক্তিবাদী চিন্তাধারার অনুপস্থিতির কারণেই মহিলারা এই ধরণের আচরণ করছেন। কেউ কেউ আবার দাবি করেছেন যে স্রেফ সস্তার জনপ্রিয়তার লোভে ভগবানের পুজো বা ভক্তি নিয়ে মশকরা করা হচ্ছে।

সমালোচকদের একাংশ আরও কড়া ভাষায় জানিয়েছেন যে যদি কারও এই ধরণের ব্যক্তিগত আচ্ছন্নতা থাকে তবে তা ঘরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। এই ধরণের ভিডিও প্রকাশ্যে এনে গোটা সম্প্রদায়ের ভাবাবেগ নিয়ে তামাশা করা হচ্ছে বলে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এমনকি এই ধরণের ব্যবহারের জন্য ওই মহিলাকে মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর দাবিও তুলেছেন অনেকে। তবে এত সমালোচনার ভিড়েও কিছু মানুষ ব্যক্তিগত বিশ্বাসের স্বাধীনতাকে সমর্থন জানিয়েছেন এবং অন্যের ভক্তি নিয়ে বিচার না করার অনুরোধ করেছেন। সব মিলিয়ে লর্ড কানহার স্যালুন যাত্রা এখন নেটপাড়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

Related Articles