খেলা

সোশাল মিডিয়ায় ক্রমাগত সমালোচনায় ক্ষুব্ধ সঞ্জীব গোয়েঙ্কা  

একটি সাক্ষাৎকারে গোয়েঙ্কা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ওই কথোপকথনকে যেভাবে ‘বকাঝকা’ হিসেবে দেখানো হয়েছে, তা একেবারেই ঠিক নয়।

Truth Of Bengal: আইপিএলে লখনউ দলের হার মানেই যেন সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন দলের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। খেলাধুলার প্রতি প্রবল আবেগ থেকেই তাঁকে প্রায়শই মাঠে নেমে ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। সম্প্রতি অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সঙ্গে তাঁর একটি কথোপকথন ঘিরে আবারও বিতর্ক তৈরি হয়। পুরনো একটি ঘটনার সঙ্গে মিল খুঁজে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে নানা কাটাছেঁড়া করা ভিডিও, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

একটি সাক্ষাৎকারে গোয়েঙ্কা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ওই কথোপকথনকে যেভাবে ‘বকাঝকা’ হিসেবে দেখানো হয়েছে, তা একেবারেই ঠিক নয়। তাঁর কথায়, ঋষভের মতো ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় সামান্য অঙ্গভঙ্গিও বড় খবর হয়ে যায়। তাঁর অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি বাড়িয়ে দেখানো হয়, কারণ এতে সহজেই নজর কেড়ে নেওয়া যায়।

গোয়েঙ্কা মনে করেন, একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনও মানুষকে বিচার করা ঠিক নয়। তাঁর মতে, ভুল হতেই পারে, কিন্তু সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। দলের ভিতরের পরিবেশ ইতিবাচক বলেই তিনি দাবি করেছেন, বাইরে যা বলা হচ্ছে, তার সঙ্গে বাস্তবের খুব একটা মিল নেই।

তিনি আরও জানান, তাঁর কথা বলার স্বাভাবিক ভঙ্গি— বিশেষ করে হাত নাড়িয়ে বোঝানোর অভ্যাস— বারবার ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে এখন তিনি ইচ্ছে করেই কথা বলার সময় হাত নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন, যাতে ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো যায়।

দলের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগও নতুন নয়। তবে এই অভিযোগ একেবারেই অযৌক্তিক বলে মনে করেন গোয়েঙ্কা। তাঁর যুক্তি, যিনি নিজে পেশাদার ক্রিকেট খেলেননি, তাঁর পক্ষে ক্রিকেটারদের খেলার কৌশল শেখানো অবাস্তব। দলের জন্য বিশেষজ্ঞদের একটি বড় দল রয়েছে, তারাই সব প্রযুক্তিগত দিক সামলায়।

তবে দলের প্রতি তাঁর আবেগের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। সাফল্য দেখতে চান, দলের ভাল পারফরম্যান্স চান— কিন্তু তার মানে এই নয় যে তিনি কোচের ভূমিকা নেবেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর কাজ দলকে সমর্থন করা, কোচিং করা নয়।