কলকাতা

কালীঘাটে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু শুভেন্দুর, একুশের বদলা কি ছাব্বিশে?

কালীঘাট মন্দিরে পূজা দিয়েই নিজের নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

Truth of Bengal: বঙ্গের নির্বাচনী লড়াইয়ে এবার সবথেকে বড় চমক—ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। ‘ছাব্বিশের লড়াইয়ে’ এই হাইভোল্টেজ দ্বৈরথকে ঘিরে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। শনিবার সকালে কালীঘাট মন্দিরে পূজা দিয়েই নিজের নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার সাতসকালে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে কালীঘাট মন্দিরে পৌঁছান শুভেন্দু অধিকারী। মন্দির চত্বরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তিনি দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। পূজা শেষে ভবানীপুর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় তাঁর প্রচার কর্মসূচী রয়েছে। জানা গেছে, এদিন তিনি মূলত এলাকার আদি বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে জনসংযোগ সারবেন। ভবানীপুরের কর্মসূচি সেরে বিকেলের দিকে নিজের অন্য কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে বিরোধী দলনেতার।

প্রার্থী ঘোষণার পরপরই ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়া এলাকায় জনসংযোগে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন শুভেন্দু। সেখানে তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান ওঠে, যা নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। এই ঘটনার পর শুভেন্দু অধিকারী স্থানীয় থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান যে, বিজেপি কর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।

তৃণমূলের দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ভবানীপুর নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন: “ভবানীপুরে আমিই জিতব। শুধু ভবানীপুর নয়, আমি রাজ্যজুড়ে জয় নিয়ে ভাবছি এবং ভবানীপুর সেই জয়ের পথ দেখাবে।” অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর হুঙ্কার—তিনি এবারও মমতাকে পরাজিত করবেন। তৃণমূল অবশ্য শুভেন্দুর এই চ্যালেঞ্জকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাদের দাবি, ভবানীপুরের মানুষ ঘরের মেয়েকেই বেছে নেবেন।

Related Articles