দেশ

হাইওয়েতে টোল ফাঁকি দিলেই দ্বিগুণ জরিমানা! বকেয়া না মেটালে বন্ধ হতে পারে গাড়ির সব পরিষেবা

মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো যানবাহন টোল প্লাজা অতিক্রম করার সময় যদি ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে টাকা না কাটা যায়, তবে গাড়ির মালিকের কাছে একটি ই-নোটিশ পাঠানো হবে।

Truth Of Bengal: জাতীয় সড়কে টোল ফাঁকি রুখতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রক। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় সড়কে নির্ধারিত টোল না দিলে এখন থেকে দ্বিগুণ জরিমানা গুনতে হবে। শুধু তাই নয়, ১৫ দিনের বেশি সময় ধরে টোল বকেয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের যাবতীয় পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। ‘জাতীয় হাইওয়ে ফি (হার নির্ধারণ এবং সংগ্রহ) (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিধি, ২০২৬’ এর অধীনে এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। মূলত ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহ (ETC) পরিকাঠামো বা বেরিয়ার-মুক্ত টোল ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রয়োগকে আরও শক্তিশালী করতেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে।

মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো যানবাহন টোল প্লাজা অতিক্রম করার সময় যদি ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে টাকা না কাটা যায়, তবে গাড়ির মালিকের কাছে একটি ই-নোটিশ পাঠানো হবে। এই নোটিশে গাড়ির বিবরণ, টোল প্লাজা অতিক্রম করার তারিখ, স্থান এবং বকেয়া টাকার পরিমাণ উল্লেখ করা থাকবে। এসএমএস, ইমেল বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠানো হবে এবং একটি নির্দিষ্ট পোর্টালেও তা দেখা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একটি বিশেষ সুযোগও দেওয়া হয়েছে; ই-নোটিশ পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিলে কোনো বাড়তি জরিমানা লাগবে না, শুধুমাত্র মূল টোল দিলেই চলবে।

এই নতুন ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে জাতীয় ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহ ব্যবস্থাকে সরাসরি ‘বাহন’ (VAHAN) ডাটাবেসের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে খুব সহজেই গাড়ি শনাক্ত করা এবং বকেয়া আদায় করা সম্ভব হবে। যদি কোনো গাড়িচালক বা মালিক মনে করেন যে ভুলবশত নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তবে নোটিশ পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নির্দিষ্ট পোর্টালে তাঁরা আপত্তি বা অভিযোগও জানাতে পারবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া না মেটালে ডিজিটাল এনফোর্সমেন্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়ের প্রক্রিয়াটি ইতিমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে।