কলকাতা
এসআইআর গাইডলাইন না মানায় একযোগে ৭ এইআরও-কে দায়িত্ব থেকে সরাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট ৯ তারিখের এক নির্দেশে জানিয়েছে, ইআরও ও এইআরও-দের নির্বাচন কমিশন জারি করা এসআইআর গাইডলাইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
Truth of Bengal: বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় গাইডলাইন না মানার অভিযোগে সাতজন সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বা এ ই আর ও -কে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, আপাতত এই সাতজন আধিকারিক এসআইআর সংক্রান্ত কোনও কাজ করতে পারবেন না। তাঁদের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রগুলির ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ইআরও-দের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই সাতজন আধিকারিক পূর্বে যে সমস্ত এসআইআর-এর কাজ করেছেন, সেগুলিও খতিয়ে দেখা হবে। বেআইনি বা অগ্রহণযোগ্য নথি আপলোডের অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। কেন এসআইআর গাইডলাইন মেনে কাজ করা হল না, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট ৯ তারিখের এক নির্দেশে জানিয়েছে, ইআরও ও এইআরও-দের নির্বাচন কমিশন জারি করা এসআইআর গাইডলাইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
কমিশনের বক্তব্য, গাইডলাইন অমান্য করার কারণেই সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের চরম শাস্তি দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে চিঠি পাঠিয়েছে। এদিকে, ডব্লিউবিসিএস অ্যাসোসিয়েশন যদি এ বিষয়ে কিছু জানাতে চায়, তবে তা লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক আধিকারিক তাঁর দায়িত্বপূর্ণ কাজের জন্য নিজেই জবাবদিহি করবেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শুনানি পর্ব শেষ হয়েছে।শুনানি পর্বের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কড়া পদক্ষেপ। সাত এ ই আর ও-দের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের।রাজ্যের ছয়টি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট সাতজন এ ই আর ও -র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাঁরা হলেন—
•ক্যানিং পূর্ব – সত্যজিৎ দাস ও জয়দীপ কুণ্ডু (এই দুই আধিকারিকের ক্ষেত্রেই পুনরায় নির্দেশ)
•সুতি – শেখ মুর্শিদ খান
•ময়নাগুড়ি – ডালিয়া রায়চৌধুরি
•সামশেরগঞ্জ – সেফাদুর রহমান
•ফরাক্কা – নীতিশ দাস
•ডেবরা – দেবাশিস বিশ্বাস
চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ক্যাডার কন্ট্রোলিং অথরিটিকে দ্রুততম সময়ে বিভাগীয় তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। উল্লেখ্য, ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে শুক্রবারই দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে। কমিশনের দফতরে হাজির হয়ে একাধিক নির্দেশ অমান্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় তাঁকে।




