জঙ্গলমহলে হাওয়া বদল! অভিষেকের সভায় তৃণমূলে যোগ ২ বিজেপি নেতার
এদিনের সভায় অভিষেক দাবি করেন, জঙ্গলমহলের মানুষ ফের উন্নয়নের পক্ষে রায় দিতে শুরু করেছেন।
Bangla Jago Desk: শনিবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় বড়চমক। সভা থেকেই বিজেপির দুই প্রভাবশালী নেতা তৃণমূলে যোগ দেন। দলবদলুদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে বাঁকুড়া জেলাকে ‘বিজেপি মুক্ত’ করার ডাক দিলেন অভিষেক।
গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহলের বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলাজুড়ে বিজেপির দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। বেশ কিছু আসনে তৃণমূলকে টেক্কা দিয়ে গেরুয়া শিবির ভাল ফল করেছিল। তবে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজাতে গিয়ে তৃণমূল এবার বাড়তি জোর দিচ্ছে জঙ্গলমহলে। এদিনের সভায় অভিষেক দাবি করেন, জঙ্গলমহলের মানুষ ফের উন্নয়নের পক্ষে রায় দিতে শুরু করেছেন।
এদিন শালতোড়ার মঞ্চে বিজেপির দুই স্থানীয় নেতার ঘাসফুল শিবিরে যোগদান রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এই যোগদানকে হাতিয়ার করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া জেলার ১২টি আসনেই জয়লাভ করবে তৃণমূল। সরাসরি বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, বাঁকুড়ায় এবার ফলাফল হবে ১২-০।
নির্বাচনী নির্ঘণ্টের আগে বাঁকুড়ার এই সভা তৃণমূল কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে বিজেপি যখন তাদের গড় ধরে রাখতে মরিয়া, অন্যদিকে তৃণমূল পাল্টা ভাঙন ধরিয়ে নিজেদের হারানো জমি পুনরুদ্ধারে ব্যস্ত। জঙ্গলমহলের এই রাজনৈতিক টক্কর আগামী দিনে আরও তীব্র হবে, তা বলাই বাহুল্য।
এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় I-PAC এ ইডি হানায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, ‘সারা দেশ গেরুয়াময় হয়, একা বাংলা রুখবে। দেশকে বাংলা পথ দেখাবে। আপনি ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স, নির্বাচন কমিশন লাগান। যত অর্থবল রয়েছে সব লাগান। অন্য দিকে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাংলার ১০ কোটি মানুষ। দেখি কে জেতে। গণতন্ত্রে গণদেবতা মানুষ। মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছে।’






