দেশ

জল্পনায় ইতি! সব বিতর্ক সরিয়ে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে থারুরের উপস্থিতি ঘিরে চর্চা তুঙ্গে

শনিবার সকালে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগের ডাকে নয়াদিল্লিতে এআইসিসি সদর দফতরে বসে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক।

Truth Of Bengal: বিভিন্ন রাজ্যে যখন এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে এবং সামনে একাধিক রাজ্যে নির্বাচন, ঠিক সেই আবহেই কংগ্রেসের অন্দরে চলা জল্পনায় কিছুটা হলেও ইতি পড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। শনিবার কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শশী থারুর ও কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া—যা ঘিরে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।

শনিবার সকালে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগের ডাকে নয়াদিল্লিতে এআইসিসি সদর দফতরে বসে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক। সেখানে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী-সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে যোগ দেন তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুরও।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ঘিরে সিদ্দারামাইয়া ও ডি কে শিবকুমারের মধ্যে চলা টানাপোড়েন নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি, গত কয়েক মাস ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে শশী থারুরের মন্তব্য কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়াচ্ছে বলেও জল্পনা চলছিল। এমনকি তিনি আদৌ এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।

উল্লেখ্য, গত মাসে রাহুল গান্ধীর ডাকা দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন শশী থারুর। একবার বিমানে থাকার অজুহাত, অন্যবার অসুস্থতার কারণ দেখানো হয়। তবে সেই সময়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনতে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রকাশ্যে তার প্রশংসাও করেন। এমনকি ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় থাকায় দিল্লির বৈঠকে অনুপস্থিত থাকায় তাঁর দল ছাড়ার জল্পনাও জোরদার হয়।

শনিবারের বৈঠকে থারুরের উপস্থিতি সেই সমস্ত জল্পনায় কার্যত জল ঢেলে দিয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ মুখ না খুললেও, বৈঠকের বাইরে প্রতিবাদের ছবি ধরা পড়ে। কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা দলিত নেতা জি পরমেশ্বরকে মুখ্যমন্ত্রী করার দাবিতে তাঁর অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখান, যা কর্নাটকের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।