দেশ

Corruption Raid: রাজপ্রাসাদের চেয়ে কম নয়! অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হতবাক দুর্নীতি দমন কমিশন

উদ্ধার  হওয়ার সম্পত্তির  মধ্যে রয়েছে নগদ ২৬ লক্ষ টাকা, প্রায় ২.৬৪ কিলোগ্রাম সোনা (মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা), ৫.৫ কেজি রুপো, প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার গয়না, ৫৬ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ও একাধিক বিনিয়োগের নথি।

Truth of Bengal: আয়-বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত এক সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আধিকারিকেরা। ভোপালের পূর্ত দফতরের অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য ইঞ্জিনিয়ার জিপি মেহরার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল সম্পত্তি, নগদ টাকা, সোনা, রুপো, বিলাসবহুল গাড়ি, এমনকি ১৭ টন মধু পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার সকালে ভোপাল এবং নর্মদাপুরমে মেহরার চারটি ঠিকানায় একযোগে অভিযান চালায় লোকায়ুক্তের দল। ডিএসপি  পদমর্যাদার চার আধিকারিকের নেতৃত্বে চলে তল্লাশি অভিযান। সূত্রের খবর, ভোপালের মণিপুরম কলোনি, সাইনি গ্রাম এবং অন্যান্য ঠিকানা মিলিয়ে যে পরিমাণ সম্পত্তি উদ্ধার হয়েছে, তা রাজ্যের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ দুর্নীতি-বিরোধী অভিযান হিসেবে গণ্য হচ্ছে (Corruption Raid)।

উদ্ধার  হওয়ার সম্পত্তির  মধ্যে রয়েছে নগদ ২৬ লক্ষ টাকা, প্রায় ২.৬৪ কিলোগ্রাম সোনা (মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা), ৫.৫ কেজি রুপো, প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার গয়না, ৫৬ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ও একাধিক বিনিয়োগের নথি। সেইসঙ্গে স্কোডা, কিয়া সনেট, মারুতি সিয়াজ সহ একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হল উদ্ধার হওয়া জিনিসের মধ্যে রয়েছে ১৭ টন মধুর ব্যারেল।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ‘ এই মধুর পরিমাণ দেখে আমরা হতবাক। কেন এত মধু সেখানে মজুত ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।‘   জানা গিয়েছে, মেহরার সাইনি গ্রামের ফার্মহাউস যেন এক রাজপ্রাসাদ। বিশাল লোহার গেটের ভিতরে রয়েছে ৩২টি কটেজ, মাছভর্তি একাধিক পুকুর, মন্দির, বিলাসবহুল আসবাবপত্র এবং একাধিক গাড়ি। সেই ফার্মহাউস থেকেই উদ্ধার হয়েছে বিপুল সম্পত্তি ও নগদ টাকা (Corruption Raid)।

এছাড়া, মেহরার সঙ্গে গোবিন্দপুরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকার কেটি ইন্ডাস্ট্রি ফ্যাক্টরি-র যোগসূত্রও পাওয়া গেছে, যেখানে তাঁর আত্মীয়রাই পার্টনার। সেখান থেকেও নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ গোনার জন্য ব্যবহার করতে হয়েছে টাকা গোনার মেশিন। এখনও পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত সম্পদের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করেনি লোকায়ুক্ত দফতর, তবে সূত্রের দাবি— মোট সম্পত্তির মূল্য ৩০-৪০ কোটি টাকারও বেশি। তদন্তকারীদের অনুমান, মেহরার প্রকৃত সম্পত্তির পরিমাণ সরকারি চাকরির আয় থেকে বহু গুণ বেশি। এই ঘটনায় গোটা ভোপাল জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে (Corruption Raid)।

Related Articles