দারিদ্র থেকে সাফল্যে—‘মাশরুম লেডি’ বীণা দেবীর রূপকথার গল্প
সেই দারিদ্রের অন্ধকার ভেঙে আজ ৭০ হাজার গ্রামীণ মহিলার রুজি-রুটির পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছেন বিহারের মুঙ্গের জেলার বীণা দেবী।
Truth Of Bengal: এক সময় সংসারের দু’বেলা খাবার জোটানোই ছিল কঠিন। সন্তানদের মুখে অন্ন তুলে দিতে হিমশিম খেতে হত। মাথা গোঁজারও ঠিকঠাক জায়গা ছিল না। সেই দারিদ্রের অন্ধকার ভেঙে আজ ৭০ হাজার গ্রামীণ মহিলার রুজি-রুটির পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছেন বিহারের মুঙ্গের জেলার বীণা দেবী। সারা দেশ তাঁকে চেনে ‘মাশরুম লেডি’ নামে।ছোট্ট ঘরে চার সন্তানকে নিয়ে শুরু হয়েছিল তাঁর সংগ্রাম।(Mushroom Lady)
আরও পড়ুনঃ দুই ঘণ্টায় মুম্বই-আহমেদাবাদ! ২০২৭-এ দেশে ছুটবে বুলেট ট্রেন
নিজের জমি না থাকায় প্রথমে ঘরের চৌকির নীচেই অল্প জায়গায় মাশরুম চাষ শুরু করেন। এক কেজি বীজ দিয়ে শুরু করা সেই চাষ প্রথমদিকে সফল হয়নি। কিন্তু হার মানেননি বীণা। ভাগলপুরে গিয়ে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় শিখে নেন আধুনিক চাষপদ্ধতি। কয়েক বার ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে সফল হন। স্থানীয় বাজারে মাশরুম বিক্রি করে ধীরে ধীরে সঞ্চয় করেন এবং পরে জমি কিনে পাকাপাকি চাষ শুরু করেন। এখন তিনি একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা।তবে নিজের সাফল্য শুধু নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। শতাধিক গ্রামে গিয়ে মহিলাদের মাশরুম চাষ শেখাচ্ছেন বীণা। আজ তাঁর উদ্যোগে প্রায় ৭০ হাজার গ্রামীণ মহিলা স্বনির্ভর হওয়ার পথে হাঁটছেন।(Mushroom Lady)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/
বীণার কথায়, মহিলারা আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হলেই তাঁদের আত্মসম্মান বাড়বে। তাঁর অসামান্য কাজের স্বীকৃতিও মিলেছে। ২০১৪ সালে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর সম্মাননা পান তিনি। ২০১৮ সালে অর্জন করেন উইমেন ফার্মার অ্যাওয়ার্ড, আর ২০১৯ সালে পান কিসান অভিনব পুরস্কার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানে বীণার অনুপ্রেরণামূলক কাহিনি তুলে ধরেন।(Mushroom Lady)


