Migrant Abuse: থামছে না নির্যাতন, যোগীরাজ্যে হেনস্থার শিকার মুর্শিদাবাদের ১৮ পরিযায়ী শ্রমিক
18 Bengali migrant workers from Murshidabad were allegedly detained in Uttar Pradesh on suspicion of being Bangladeshis despite valid ID.
Truth Of Bengal: বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক হেনস্থা ও নির্যাতন ইস্যু ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে বঙ্গ রাজনীতি। পথে নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসMigrant Abuse()। এরই মাঝে প্রকাশ্যে এলো যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে, বাংলাদেশি সন্দেহে, মুর্শিদাবাদের ১৮ জনকে আটক করে হেনস্থার ঘটনা। জানা গিয়েছে, তাঁরা সকলেই ফেরিওয়ালা। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁদের সাহায্য করার জন্য।
আরও পড়ুনঃ Bengali: বাঙালি হেনস্থার প্রতিবাদে লাগাতার অবস্থানে তৃণমূল
আটক ফেরিওয়ালাদের অভিযোগ, বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, তাঁদের আরও অভিযোগ, নিজেদের রান্না নিজেদেরই করতে হচ্ছে থানায় এবং তাও জুটছে না ঠিকঠাকভাবে(Migrant Abuse)। জানা গিয়েছে, সকলের মোবাইল কেড়ে নেওয়া হলেও তার মধ্যে একজন অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল লুকিয়ে রেখেছিলেন এবং সেখান থেকেই তাঁদের কাতর অনুরোধ রেকর্ড করে সংবাদমাধ্যমকে পাঠিয়েছেন।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
এই বিষয়ে পরিযায়ী শ্রমিক ঐক্যমঞ্চের রাজ্য সম্পাদক আসিফ ফারুক নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ১৮ জন ফেরিওয়ালাকে আটকে রেখেছে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে(Migrant Abuse)। অথচ তারা এই দেশের নাগরিক। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ সুপার, জেলাশাসক এবং শ্রমদপ্তরের আধিকারিককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নিঃশর্তে মুক্তির আবেদন করছি ওই ফেরিওয়ালাদের।”
উল্লেখ্য, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই আওয়াজ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন যে এই অন্যায় কোনভাবেই বরদাস্ত করবেন না। সংসদ চত্বরেও ঘাসফুল শিবিরের সাংসদরা এই ব্যাপারে লাগাতার বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। ভাষা সন্ত্রাসের প্রতিবাদ জানাতে মেয়ো রোডে মঞ্চও তৈরি করা হয়েছিল শাসকদলের তরফ থেকে। তবে তা খুলে দেয় সেনা এবং এরপর পরিস্থিতি আরো স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।






