Bengali Identity: বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি! মহারাষ্ট্রে ঘটনায় বিজেপিকে আক্রমণ বাংলা একতা মঞ্চের
Bengali Ekta Manch accuses Maharashtra BJP of labeling Bengali-speaking workers as Bangladeshis despite valid documents.
Truth Of Bengal: শুধু বাংলায় কথা বলাই অপরাধ (Bengali Identity)! বৈধ নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও মহারাষ্ট্রে বাংলা ভাষী শ্রমিকদের বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বাংলা একতা মঞ্চের প্রধান উপদেষ্টা তন্ময় ঘোষ। বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি বলা হচ্ছে। বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। লজ্জা করে না আপনাদের?”
তিনি সরাসরি অভিযোগ তোলেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকার এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আধার কার্ড, প্যান কার্ড সহ সমস্ত বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ভাষাগত পরিচয়ের ভিত্তিতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড চলছে বলে তাঁর অভিযোগ। তন্ময়ের দাবি, “যে সব রাজ্যে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার রয়েছে, সেখানেই বারবার দেখা যাচ্ছে এমন নিপীড়ন।”
‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ও ইতিহাস বিকৃতির চক্রান্ত (Bengali Identity)
সাংবাদিক সম্মেলনে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অবস্থান জানায় বাংলা একতা মঞ্চ। তারা অভিযোগ তোলে, ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবির মাধ্যমে গোটা বাংলার সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং ভাবমূর্তি কলুষিত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কেশরী: চ্যাপ্টার ২’ সিনেমাতেও বিপ্লবীদের নাম ও ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তোলা হয়।
তন্ময় ঘোষের মতে, “এই সবই পরিকল্পিত চক্রান্ত। বাংলার মানুষ, ভাষা, ইতিহাসকে কলঙ্কিত করতে চায় বিজেপি।”
ভোট রাজনীতির আগেই চাপ বাড়াচ্ছে বাংলা একতা মঞ্চ (Bengali Identity)
সংবাদ সম্মেলনে তন্ময় ঘোষ বলেন, “ভারতের সংবিধানে আর্টিকেল ১৪ ও ১৫–এ স্পষ্ট বলা আছে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিককে সমান চোখে দেখা হবে। সেই সাংবিধানিক অধিকার বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এটাই তাদের রাজনৈতিক চরিত্র।”
তিনি আরও দাবি করেন, “২২ লক্ষ বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করেন। আবার প্রায় ২ কোটি ভিনরাজ্যের মানুষ পশ্চিমবঙ্গে বাস করেন। এটা ভারতের যুক্তরাষ্ট্র কাঠামোর সৌন্দর্য। কিন্তু বিজেপি সেই কাঠামো মানে না। তারা সংবিধানও মানে না(Bengali Identity)। তাই বারবার বাংলার মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। ২০২৬-এও করবে।”
বাংলা একতা মঞ্চের অভিযোগ, কেন্দ্র ও বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির এই রাজনৈতিক অবস্থান শুধু ভাষা ও জাতিগত বিভাজন তৈরি করছে না, বরং দেশের সাংবিধানিক কাঠামো ও নাগরিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হানছে।






