দেশ

নিঃসন্তান মহিলাদের এভাবেই মা বানাত! মৌলানার শারীরিক সম্পর্কের গোপন ভিডিয়ো ভাইরাল

সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় গোটা শহরে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

Truth Of Bengal: রাজস্থানের জোধপুরে এক তথাকথিত তান্ত্রিক ও মাদ্রাসা পরিচালনাকারী মৌলানা আফজলের লজ্জাজনক কাণ্ড সামনে এসেছে (Maulana Scandal)। তন্ত্র-মন্ত্রের নামে মহিলাদের প্রতারণা ও তাদের শারীরিক শোষণের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক অশ্লীল ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ায় গোটা শহরে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

অভিযুক্ত মৌলানা আফজল নিজেকে তন্ত্র-মন্ত্রের বিশেষজ্ঞ দাবি করে সরল-সহজ মহিলাদের ফাঁদে ফেলত। বিশেষ করে তিনি লক্ষ্যবস্তু করতেন সেই সব মহিলাদের, যারা নিঃসন্তান সমস্যায় ভুগছিলেন। তাদের বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন তান্ত্রিক আচার-অনুষ্ঠানের অজুহাতে তিনি তাদের নিজের বাড়িতে ডাকতেন এবং সেখানে অশ্লীল আচরণ করতেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, তিনি ভিন্ন ভিন্ন মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় রয়েছেন, যা স্থানীয়দের প্রবল ক্ষোভের কারণ হয়েছে (Maulana Scandal)।

ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর মৌলানা আফজল পালিয়ে গিয়েছেন। নিজের বইয়ের দোকান ও বাড়িতে তালা লাগিয়েছেন। মোবাইল ফোনও বন্ধ। স্থানীয়রা তাঁর দোকানের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখালেও কোনও লাভ হয়নি। ক্ষুব্ধ মানুষজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি তুলেছে।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, সদর বাজার থানার কর্মকর্তা মানকরাম জানিয়েছেন, পুলিশ ভিডিয়োটিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ভিডিয়োতে মুখ পুরোপুরি স্পষ্ট না হওয়ায় অভিযুক্তের পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে। তবে সামাজিক চাপ ও কুখ্যাতির ভয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও ভুক্তভোগী মহিলা বা তাদের পরিবার প্রকাশ্যে এসে অভিযোগ জানাতে পারেননি। পুলিশ জানিয়েছে, কারও কাছে কোনও তথ্য বা অভিযোগ থাকলে যেন ভয় না পেয়ে সামনে আসেন।

এই ঘটনাটি জোধপুরের স্থানীয় সমাজে প্রবল অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। মানুষ চুপিসারে মৌলানার কুকর্মের আলোচনা করছে, কিন্তু সামাজিক ভয়ের কারণে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইছে না (Maulana Scandal)। এই ঘটনা তন্ত্র-মন্ত্রের নামে প্রতারণা ও শোষণের গভীর সমস্যাকে সামনে এনেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে। অভিযুক্তকে ধরতে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। প্রশাসন মানুষের কাছে শান্তি বজায় রাখার এবং গুজব থেকে দূরে থাকার আবেদন করেছে। এই ঘটনাটি বর্তমানে জোধপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে এবং মানুষ এই ঘৃণ্য ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি করছে।

Related Articles