কমিশনের দেওয়া সময় শেষ বৃহস্পতিবার, কী পদক্ষেপ নেবে নবান্ন?
নির্বাচন কমিশনের গোটা বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার পরে পদক্ষেপের জন্য সাত দিনের সময়সীমা দেয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।
জয় চক্রবর্তী: ভোটার তালিকায় কারচুপির (Election Controversy) অভিযোগে কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। পাঁচ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের। যার মধ্যে রয়েছেন দুজন ডাবলুবিসিএস অফিসার। সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার চিঠি দিয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন তদন্ত হওয়ার পরেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাজ্য সরকারের চিঠিতে খুশি নয় কমিশন।
[আরও পড়ুন: শিশুসাহিত্যের পথপ্রদর্শক প্রমদাচরণ সেন]
মুখ্য সচিব মনোজ পন্থকে ডেকে পাঠানো হয় দিল্লিতে। নির্বাচন কমিশনের (Election Controversy) গোটা বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার পরে পদক্ষেপের জন্য সাত দিনের সময়সীমা দেয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। সেই সময় সীমা বৃহস্পতিবার সম্পূর্ণ হচ্ছে। ওয়াকিবহল মহলের অনুমান, বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার কমিশনের সুপারিশ মত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। তালিকায় রয়েছেন দুজন ইআরও, দুজন এইআরও এবং একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর।






