রাজ্যের খবর

Bankura: আন্তঃরাজ্য এটিএম লুঠের চোরাচক্রের পর্দাফাঁস, বড়সড় সাফল্য পুলিশের

বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পরও এটিএমের ভিতর থেকে চারজন না বের হওয়ায় সন্দেহ বাড়ে।

Truth of Bengal: মানুষ যে কষ্টের টাকা তুলতো এটিএম থেকে। সেই এটিএম থেকেই টাকা গায়েব করে দিতো ফন্দিবাজরা। যার জন্য খোয়া যেতো মোটা টাকা। টাকা লুঠের সেই কারবার বন্ধ করে ফাঁদ পাতে পুলিশ। বাঁকুড়া-দুর্গাপুর রাজ্য সড়ক সংলগ্ন এটিএমের সামনে ঝাড়খণ্ডের ওই চারচাকা গাড়িটি এসে দাঁড়ায়। গাড়ি থেকে চারজন নেমে সটান এটিএমের মধ্যে ঢুকে পড়ে। তারা দ্রুত এটিএমের সাটার নামিয়ে দেয়।(Bankura)

[আরও পড়ুনঃ WBHRB Recruitment: রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরে বিরাট নিয়োগ: ৫ হাজারের বেশি স্টাফ নার্স পদে আবেদনের সুযোগ]

বন্ধ এটিএমের ভিতর থেকে নানা শব্দ ভেসে আসায় সন্দেহ হয়। বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পরও এটিএমের ভিতর থেকে চারজন না বের হওয়ায় সন্দেহ বাড়ে। তখন সাটার তুলে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।  এটিএমের সিসি ক্যামেরাগুলির মুখ ব্ল্যাকটেপে ঢেকে দেওয়ার বিষয়টি খেয়াল করে পুলিশ। সন্দেহভাজনকে আটকে রাখার চেষ্টা হয়। এক দুষ্কৃতী পালিয়ে যায়। বাকি তিনজনকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়।(Bankura)

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]

বৃহস্পতিবার সকালে সদর থানার মাকুড়গ্রামে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে ওই দুষ্কৃতীরা বেশ কয়েক হাজার টাকা আত্মসাৎ করে বলে পুলিসের দাবি। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম মুকেশকুমার তেওয়ারি, রাহুল দ্বিবেদী ও প্রফুল্লকুমার ভার্মা। মুকেশ ও রাহুল ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। প্রফুল্লের বাড়ি উত্তরপ্রদেশে।  ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০৩(২), ৩২৪ (৪), ৩১৮(৪),  ৩৩৪(১), ১১২(২), ৬১(২) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার বিশদে জানতে ধৃতদের ১৩ দিনের হেফাজতে নিয়েছে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ।  ধৃতেরা কোন অপরাধ চক্রের সঙ্গে যুক্ত এবং এর আগে এই দুস্কৃতি দলটি   কোথায় কোথায় অপরাধ করেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।(Bankura)

Related Articles