সম্পাদকীয়

Satellite Pollution: স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের সুফলে দিতে হবে মাসুল

Discover the environmental impact of satellite internet services, their carbon footprint compared to mobile networks.

অর্ক গোস্বামী: বিশ্বায়ন পরবর্তী যুগে ইন্টারনেট পরিষেবা (Satellite Pollution) আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আজকের দিনে শিক্ষা, ব্যাঙ্কিং (আর্থিক লেনদেন), স্বাস্থ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম। তবে এযাবৎ কাল ধরে মোবাইল টাওয়ার মারফত ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া হলেও সম্প্রতি ‘স্যাটেলাইট কনস্টিলেশান’ মারফত এই পরিষেবা দেওয়ার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে যা পরিবেশ বিজ্ঞানী সব সচেতন মানুষদের চিন্তার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে।

[আরও পড়ুন: Oil Tariff: ট্রাম্পের ট্যারিফ হুঁশিয়ারি- সস্তা রাশিয়ান তেলের উপর চাপ, বিপাকে পড়তে পারে ভারত]

সম্প্রীতি জর্জ ম্যাশন ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, গ্রাহক পিছু স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ইন্টারনেট সাধারণ মোবাইল থেকে সরবরাহ করার ইন্টারনেটর চেয়ে গড়ে ১৪-২১ গুণ কার্বন ফুটপ্রিন্ট উৎপন্ন করে যা আমাদের পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক (Satellite Pollution)। এর সঙ্গে স্যাটেলাইটে উৎক্ষেপণের সময় আলাদা করে যে ব্ল্যাক কার্বন ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড নির্গত হয় সেটি জুড়লে মাথা পিছু ৩১-৯১ গুণ দূষণ একজন গ্রাহক সৃষ্টি করে।

[আরও পড়ুন: Congress: হোটেলে ডেকে ধর্ষণ, কংগ্রেস ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওড়িশায়]

উৎক্ষেপণের সময় ছাড়াও স্যাটেলাইটজনিত এই দূষণের মূল কারণগুলি হল যে শক্তি উৎসের মাধ্যমে স্যাটেলাইটগুলিকে কক্ষপথে পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়, সেগুলির অধিকাংশ চিরায়ত শক্তিচালিত নয়, বদলে মূলত জীবাশ্ম জ্বালানি (Satellite Pollution)। এই পরিস্থিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত ইন্টারনেট পরিষেবা– এই দুই অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার স্বার্থে আগামী দিনে আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে চিরায়ত শক্তি চালিত স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ এবং পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণে জোর দিতে হবে।

Related Articles