অফবিট

Startup Interns: ইন্টার্নদের পরিশ্রম নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল পোস্টে তুমুল শোরগোল

A viral LinkedIn post by a Bengaluru founder highlights the harsh reality for startup interns, sparking debate on pay, recognition, and work culture.

Truth Of Bengal: ভারতের স্টার্টআপ রাজধানী বেঙ্গালুরুতে ইন্টার্নদের (Startup Interns) কর্মপরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। উদ্যোক্তা শুভম লোন্ধের একটি লিংকডইন পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে।

[আরও পড়ুন: Daily Horoscope: সৌভাগ্য আজ কোন রাশির, কার ভাগ্যে আসন্ন বিপদ?]

“BENGALURU TECH LIFE” শিরোনামের ওই পোস্টে উল্লেখ করেন যে, যেখানে একজন স্টার্টআপ ফাউন্ডার মাসে প্রায় ₹৫ লাখ উপার্জন করেন, সেখানে একজন ইন্টার্নের মাসিক স্টাইপেন্ড প্রায় ₹১৫,০০০। অথচ ইন্টার্নদের ওপর কাজের চাপ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। তিনি জানান, রাত ২টো নাগাদ জরুরি কাজের জন্য বার্তা পাঠানো, সপ্তাহান্তে কাস্টমার সাপোর্ট সামলানো, পিচ ডেক তৈরি করা—এসবই ইন্টার্নদের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। তবুও তাদের প্রায়ই “হাসল মাইন্ডসেট”-এর অভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।

পোস্টে আরও লেখেন, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতারা যেখানে কোটি কোটি টাকার ফান্ডিং পান এবং ব্যবসায়িক ম্যাগাজিনে স্থান করে নেন। সেখানে ইন্টার্নদের (Startup Interns) পুরস্কার সীমাবদ্ধ থাকে একটি অ্যামাজন ভাউচার ও লিংকডইনে প্রদর্শনীমূলক প্রশংসায়। তিনি এই অবস্থাকে ব্যঙ্গ করে “Modern startup karma” বলে অভিহিত করেছেন।

FB POST: https://www.facebook.com/share/v/173JC7gJYd/

পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর লিংকডইনে হাজারো মন্তব্য দেখা গিয়েছে। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এটি আধুনিক দাসত্ব, যা পিজ্জা পার্টি ও লিংকডইন প্রশংসার মাধ্যমে আড়াল করা হয়েছে।” অন্যরা বলেন, ইন্টার্নশিপ (Startup Interns) প্রায়শই বিনা পারিশ্রমিকে বা খুবই কম ভাতায় হয়, তবুও অভিজ্ঞতার জন্য শিক্ষার্থীরা তা গ্রহণ করে।

তবে কেউ কেউ এই চক্রকে সমর্থন করে বলেন, “বর্তমান সিইও-রাও একসময় ইন্টার্ন ছিলেন।” অন্যদিকে, কয়েকজন সতর্ক করেছেন, এই ধারা দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। একজন মন্তব্য করেছেন, “আজ যাকে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে, সেই ইন্টার্ন কাল সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে।”

[আরও পড়ুন: 18_07_2025_Mahanayak Uttam Kumar Award Ceremony at Dhanadhanya Auditorium,2025]

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিতর্ক শুধু বেতন বৈষম্য নয়, বরং স্বীকৃতি ও কর্মসংস্কৃতি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে যেখানে “হাসল কালচার”কে গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেখানে ন্যায্যতা ও উন্নতির বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে (Startup Interns)।

Related Articles