খেলা

Mahamedan sporting Club: সুরুচির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় পেতে মরিয়া লাল-হলুদ

ইতিমধ্যে চলতি বছরের কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে অন্য দলগুলির মত তাদের অনুশীলনে কোনও খামতি রাখেনি।

Truth of Bengal: শুক্রবার কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশনে তাদের অভিযান শুরু করছে মহমেডান স্পোর্টিং। ব্যারাকপুরের বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্রীড়াঙ্গনে সাদা-কালো ব্রিগেডের প্রতিপক্ষ কলকাতা পুলিশ ক্লাব। ইতিমধ্যে চলতি বছরের কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে অন্য দলগুলির মত তাদের অনুশীলনে কোনও খামতি রাখেনি। দলের কোচ মেহরাজউদ্দিন ওয়াদুর হাত ধরে বঙ্গ তনয়দের ওপর ভর করেই সাফল্য পেতে মরিয়া রেড রোডের ধারের শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবটি। (Mahamedan sporting Club)

[আরও পড়ুনঃ Ranbir Kapoor’s Ramayan: প্রতীক্ষার অবসান, প্রকাশ্যে ‘রামায়ণ’-এর ফার্স্ট লুক]

কলকাতা লিগের জন্য এবারও মহমেডান দল রয়েছেন বেশ কিছু অভিজ্ঞ ফুটবলার। যাঁদের ওপর ভর করেই এবারের কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ভাল ফলের আশা করছেন সাদা-কালো ব্রিগেড। শুক্রবারের ম্যাচে মহমেডান পাবে না তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ ফুটবলারকে। এরা হলেন গত মরসুমে নজরকাড়া ইসরাফিল, জোয়েল, রবি হাঁসদা, হীরা মণ্ডল ও ফারদিন আলি মোল্লাকে। সূত্রের খবর, এই পাঁচ ফুটবলারই পরের ম্যাচ থেকে সাদা-কালো জার্সি পরে মাঠে নামবেন। কাজেই পুলিশের বিপক্ষে ম্যাচে মহমেডান কোচ মেহেরাজ তাই ভরসা করছেন সজল বাগ, গোলরক্ষক শুভজিৎ, কিমা, এডিসনদের ওপর।( Mahamedan sporting Club)

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]

প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে মহমেডান কোচ মেহেরাজউদ্দিন ওয়াদু জানান, ‘আমার দলের সকল ফুটবলাররা চ্যালেঞ্জ নিতে তৈরি। খেলোয়াড়দের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশাকরি মাঠে নেমে ওরা ওদের সেরা পারফরম্যান্স করে জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে।’

একই দিনে অপর ম্যাচে নৈহাটির বঙ্কিমাঞ্জলী স্টেডিয়ামে বিনো জর্জের ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হবে সুরুচি সংঘের। প্রথম ম্যাচে মেসার্সের বিপক্ষে জয় পেলেও সুরুচির বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বেশ চিন্তায় লাল-হলুদ শিবির। কেননা আগের ম্যাচেই কুচকিতে চোট পেয়েছিলেন মনোতোষ মাঝি। সে কারণে এই ম্যাচে হয়ত তাঁকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। শুধু মনোতোষই নন, বিনোকে চিন্তায় রেখেছে দলের গোলমেশিন জেসিন টিকের চোট নিয়েও। এদিকে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে, পাশাপাশি ফুটবলাররাও আগের থেকে অনেকটা ছন্দে ফিরে আসছেন দেখে খুশি কোচ বিনো জর্জ-ও। লাল হলুদ কোচ জানান, ‘আমার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে গত মরসুমের মত, চলতি মরসুমেও ভাল ফল করা। ছেলেরাও চেষ্টা করছে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি হয়।’( Mahamedan sporting Club)

তবে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আসলে শুক্রবার কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের এই ম্যাচে মূলত লড়াই হবে দুই কোচের। কেননা একটা সময় সন্তোষ ট্রফির ফাইনাল ম্যাচে কেরলের কোচ থাকাকালীন বিনোজর্জের কাছেই হারতে হয়েছিল বাংলাকে। সেবার বাংলার কোচ ছিলেন রঞ্জন ভট্টাচার্য। সেবার থেকে দুই কোচের লড়াই বিশেষ আকর্ষণ কুড়িয়েছে ময়দানে।