ED raids: ৯৮৮ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি, দিল্লি ও পঞ্জাবে একাধিক জায়গায় হানা ইডির
তাঁদের বিরুদ্ধে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে একাধিক ব্যাঙ্কের কনসোর্টিয়ামকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
Truth of Bengal: প্রায় ৯৮৮ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় তৎপর হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বুধবার দিল্লি এবং পঞ্জাবের জলন্ধরে একযোগে ১০টি ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলার মূল অভিযুক্ত ‘শিল্পী কেবলস টেকনোলজিস লিমিটেড’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার প্রোমোটাররা। তাঁদের বিরুদ্ধে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে একাধিক ব্যাঙ্কের কনসোর্টিয়ামকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই মানি লন্ডারিং-এর অভিযোগে মামলাও রুজু করেছে ইডি। (ED raids)
[আরও পড়ুনঃ Jagannath Rath: রথের দড়িতে হাত মিলিয়ে সাম্যের বার্তা দেন জগন্নাথ]
সূত্রের খবর, শিলপি কেব্লস টেকনোলজিস লিমিটেড-এর প্রোমোটার এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট আইনের আওতায় দিল্লি-এনসিআরে ৯টি এবং পাঞ্জাবের জলন্ধরে ১টি ঠিকানায় হানা দিয়েছে ইডি।
লিঙ্কঃhttps://www.facebook.com/truthofbengal
তদন্তকারীদের দাবি, সংস্থাটি লেটারস অফ ক্রেডিট-এর মাধ্যমে ব্যাঙ্ক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ তুলে সেই টাকা ভুয়ো লেনদেন দেখিয়ে বিদেশে পাচার করেছে। এই গোটা আর্থিক তছরুপে সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মণীশ গোয়েল-এর সরাসরি যোগ রয়েছে বলেই মনে করছে ইডি। তবে বেশ কিছুদিন ধরেই মণীশ গোয়েল পলাতক, এবং তাঁকে খুঁজে বের করার জন্যও বিশেষ তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।(ED raids)
বুধবারের এই তল্লাশি অভিযান থেকে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা সম্পদ উদ্ধার হয়নি বলেই প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তবে ইডি জানিয়েছে, তদন্ত চলছে এবং গোটা প্রতারণা চক্রে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইডি ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন বিভিন্ন নথি, ডিজিটাল ডিভাইস এবং আর্থিক লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঋণ জালিয়াতি মামলায় আরও তথ্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে তদন্তকারী সংস্থার তরফে।






