ISRO: বিপদের সময় বাঁচাবে ইসরোর প্রযুক্তি, বার্তা আদান-প্রদানে মিলবে সুবিধা
তাই এবার মত্স্যজীবীদের সুরক্ষার স্বার্থে ইসরোর প্রযুক্তি ব্যবহার করার তোড়জোড় শুরু হল
Truth Of Bengal: দুর্যোগ বা ঝড়-ঝঞ্জা হলেই বিপদের মুখে পড়তে হয় কাকদ্বীপের মত্স্যজীবীদের।অনেকসময়ই সেইসব মত্স্যজীবীরা আর সমুদ্রপারে ফিরে আসতে পারে না(ISRO)। তাই এবার মত্স্যজীবীদের সুরক্ষার স্বার্থে ইসরোর প্রযুক্তি ব্যবহার করার তোড়জোড় শুরু হল।উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে একদিকে গভীর সমুদ্রে ট্রলারগুলির উপর নজরদারি রাখা হবে, তেমনই আবার ট্রলারগুলি ভারতীয় জলসীমা পেরিয়ে বাংলাদেশের জল সীমানায় প্রবেশ করার আগেই বিশেষ যন্ত্রে বেজে উঠবে বিপদ সঙ্কেত।
আরও পড়ুন: KOLKATA WEATHER: বর্ষার অপেক্ষায় দক্ষিণবঙ্গ, সপ্তাহান্তে মিলতে পারে স্বস্তি
অতীতের থেকে এই নয়া বিপদ সঙ্কেত যন্ত্র অনেকটাই উন্নত ও শক্তি সম্পন্ন । আগে ট্রলারে ব্যবহৃত হওয়া যন্ত্রগুলিতে শুধুমাত্র বার্তা প্রেরকই বার্তা আদান প্রদান করতে পারতেন(ISRO) । এই নয়া যন্ত্রের মাধ্যমে বার্তা প্রেরক এবং বার্তা গ্রাহক দু’জনেই বার্তা আদান প্রদান করতে পারবেন ।
Truth Of Benga FB: https://www.facebook.com/truthofbengal
১৪ই জুন থেকে উঠে যাবে সমুদ্রে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা। এরপরই সব ট্রলার গুলি মাছ ধরার জন্য পাড়ি দেবে গভীর সমুদ্রে। এখন জোর কদমে চলছে তারই প্রস্তুতি। এই মুহূর্তে চরম ব্যস্ততা কাকদ্বীপ, নামখানা পাথরপ্রতিমা ক্যানিং গোসবা সহ মহকুমার সমস্ত মৎস্যবন্দর গুলিতে(ISRO)। মৎস্যজীবীদের সাহস যোগাচ্ছে ইসরো প্রযুক্তির উন্নত মাণের ট্রান্সপন্ডার মেশিন।১৫ ই জুন থেকে বাঙালির প্রিয় ইলিশের খোঁজে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চলেছে কয়েক হাজার ট্রলার। আর এই সমুদ্র যাত্রায় বুকে ভরসা জোগাচ্ছে ইসরোর উন্নত প্রযুক্তি।এর মাধ্যমেই মত্স্যশিকারের কাজে ঝাঁপাতে চান মত্স্যজীবীরা।






