Exclusive: শিল্প উদ্যোগে বড় সিদ্ধান্ত নবান্ন’র, নির্দিষ্ট পরিমাণ ভূগর্ভস্থ জল তুলতে লাগবেনা অনুমতি
Permission will not be required to extract a certain amount of groundwater
জয় চক্রবর্তী: শিল্প গঠনের ক্ষেত্রে বেশকিছু অনুমতির প্রয়োজন হয়। তার মধ্যে অন্যতম পানীয় হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ভূগর্ভস্থ জল তোলার জন্যেও অনুমতি লাগে। কিন্তু এর জন্য শিল্প স্থাপনের সময় বেশ কিছুটা পিছিয়ে যায়। এবার তাই বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নবান্ন। ৫০০০ লিটার পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ জল পানীয় এবং পরিচ্ছন্নতার বজায় রাখার জন্য তোলা যাবে বিনা ছাড়পত্রে। শিল্প স্থাপন এবং শিল্পক্ষেত্রে এক বড় সিদ্ধান্ত নবান্ন’র। রাজ্যের শিল্প দপ্তর বিভিন্ন সময় শিল্পপতি বা শিল্প উদ্যোগীদের জন্য ‘সিনার্জি’র আয়োজন করেন।
[আরও পড়ুন: কর্নাটক: বেঙ্গালুরুর পদপিষ্ট কাণ্ডে দায় এড়াতে পারে না প্রশাসন]
এখানকার আলোচনা থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। কারোর কোন অসুবিধা থাকলে অথবা কোন ধরনের ‘সাজেশন’ সরকারকে সরাসরি দিতে পারেন বিনিয়োগকারীরা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সময় এই ধরনের আলোচনা থেকে যে তথ্য উঠে এসেছে তারই অন্যতম বিষয় হলো ভূগর্ভস্থ জল তোলার ক্ষেত্রে ছালপত্রের সময় লাগে প্রায় মাস ছয়েকের মত। নতুন করে শিল্প স্থাপন বা শিল্প ক্ষেত্রে এটা বেশ খানিকটা সময় সাপেক্ষ। এরপরেই জলসম্পদ ও উন্নয়ন, পরিবেশ সহ একাধিক দপ্তর আলোচনার পরেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়।
[আরও পড়ুন: মাঠে ঘাস কাটতে গিয়ে এক ব্যক্তির অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়]
পানীয় এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ হাজার লিটার ভূগর্ভস্থ জল তোলার ক্ষেত্রে ছাড়পত্রের প্রয়োজনীয়তা নেই। তবে অনলাইনে সেলফ ডিক্লারেশন দিতে হবে শিল্প উদ্যোগদের। অষ্টম বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলনের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে আরও প্রসার লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সেক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দেশের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। গোটা পৃথিবীতে এই ধরনের শিল্পে সবথেকে বেশি কর্মসংস্থান হয়। এই ধরনের শিল্প স্থাপন করার ক্ষেত্রে অসুবিধে না হয় তার জন্যও নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিষয়টিকে মাথায় রেখে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন।






