২৬-এর নির্বাচনে কটা আসন প্রয়োজন? টার্গেট ফিক্সড করে দিলেন মমতা-অভিষেক
BJP returns to more than 215 seats, deposits forfeited

Truth Of Bengal: দিল্লি-মহারাষ্ট্র ভূতুড়ে ভোটার ধরতে না পারলেও বাংলা ভুয়ো ভোটারদের ধরবে। ছাব্বিশে বিজেপির জামানত জব্দ করার জন্য খেলা জোরদার করতে হবে। এদিনের সভা থেকে ২৬-এর টার্গেট বেঁধে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে রাজ্যে ফের তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরবে বলে জোর দিয়ে বলেন তিনি। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, বিজেপির জামানত জব্দ হবে। আগেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নেতা কর্মীদের কাছে ২১৫-র টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই সুরে মমতা বলেন, আমি সংখ্যা বলছি না তবে অন্যরা যা বলল সেই পথেই চলতে হবে। এক তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরব।
২০২৬-এ এক তৃতীয়াংশ জয়ের টার্গেট মমতার pic.twitter.com/S4dkuq0UNz
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) February 27, 2025
অভিষেক বলেন, ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে দল যে আসন পেয়েছিল তার থেকে আরও বেশি আসনের টার্গেট। টার্গেট বেঁধে দিলেন ২১৫ আসনের। এখন থেকেই ময়দানে নামার নির্দেশ দিলেন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ২১৫ এর বেশি আসন দিয়ে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। টার্গেট ২১৫। আরও বেশি আসন নিয়ে ২০২৬ আরও বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় থাকবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ২১৪ আসন টপকে যেতে হবে এবারে নির্বাচনে। এক ছটাক জমি বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেসকে নয়।
২১৫-র টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় pic.twitter.com/cg2GnuJtKm
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) February 27, 2025
ছাব্বিশে আরও জোরদার খেলা, ভোটের লড়াইয়ের স্বরগরম করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৪ দফা অ্যাজেন্ডা বেঁধে দিয়ে তৃণমূল স্তরের কর্মীদের সর্বাত্মক লড়াইয়ের সুর বাঁধেন তিনি। নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মেগা সম্মেলনে বাংলায় পঞ্জাব-হরিয়ানা-গুজরাটের ভূতুড়ে ভোটারদের অনলাইন কারসাজি ফাঁস করেন বিজেপি বিরোধী শিবিরের নেত্রী। অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্রিলিয়ান্ট মাইন্ডস, কোম্পানি ইন্ডিয়া ৩৬০ নামে দু’টি এজেন্সি এই কারসাজির কাজ করছে।

তারা ডেটা অপারেটদের কাছে গিয়ে এই অনলাইনে কারসাজি করেছে। বহিরাগত ভোটারদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে জেলা সভাপতিদের বুথ স্তরে নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার হুঁশিয়ারি দিল্লি-মহারাষ্ট্র যা পারে না,বাংলা বাইরের ভূতুড়ে ভোটারদের বেনোজল রুখবে। প্রয়োজনে আরও একটা জনজাগরণ করা হবে বলেও স্পষ্ট করেন বিজেপি বিরোধী শিবিরের নেত্রী। তাঁর কথায় বিজেপির আয়ু আর বড়জোর ২-৩বছর, ২০২৭ থেকে ২০২৯ এর মধ্যে বিজেপি রাজনৈতিকভাবে শেষ হয়ে যাবে।

একদিকে এনআরসি-সিএএ-র মাধ্যমে প্রকৃত ভোটারদের বাদ দেওয়ার চক্রান্ত আর অন্যদিকে বাইরের মানুষের একই এপিক নম্বরে নাম ঢুকিয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগে সোচ্চার হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস ফিরবে, খেলা আবার হবে। ২০২৬-এর খেলা জোরে হবে। ভোটারলিস্ট থেকে শুরু করতে হবে খেলা। ৪ দফা খেলার অ্যাজেন্ডা ঠিক করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সর্বাত্মক লড়াইয়ের অ্যাজেন্ডা ঠিক করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, বুথ কমিটি গড়ে কাজ করবেন জেলা সভাপতিরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, লোকসভা-বিধানসভা একসঙ্গে ভোট করতে পারে বিজেপি, তাই দিল্লির কারসাজি রুখতে এখন থেকেই কোমরবেঁধে কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ লড়াই করতে হবে।

নেতাজি ইন্ডোরে এদিনের সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬ এর সুর বেঁধে দিলেন। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন এক তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে ২০২৬-এ ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল। বিজেপির জামানত জব্দ হবে। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টার্গেট বেঁধে দিলেন। ২০২৬ -এর টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক, লক্ষ্য এবার ২১৫। স্পষ্ট করলেন তিনি।






