ব্যবসায়ী হওয়ার স্বপ্নপূরণ বাংলায়, আবেদন বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে
Dream of becoming a businessman is fulfilled in Bengali, application is through Bangla Help Center
Truth Of Bengal: পরিষেবা যাতে মানুষের দুয়ারে মেলে সেজন্য প্রশাসন সজাগ। দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে চলে পরিষেবা প্রদানের কাজ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জন-পরিষেবা প্রদানের কাজ তরান্বিত হয়েছে। পাড়াতেই এখন অধিকাংশ পরিষেবা পায় সাধারণ মানুষ। লক্ষ্মীর ভান্ডার,বিধবাভাতা সহ নানা পরিষেবার মতোই এবার বিকেন্দ্রীকৃত পথে উদ্যোগীদের ঋণদানের কাজে এগিয়ে এল রাজ্য সরকার।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল এই ভবিষ্যত ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পটি চালু হয় রাজ্যে। জনস্বার্থবাহী এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮থেকে ৫৫বছর বয়সী মানুষ ৫লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পায়। একদিকে উৎকর্ষ বাংলার মাধ্যমে বেকারদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণদান আর অন্যদিকে বেকারদের সহজ ও নামমাত্র সুদে ঋণদান করে স্বনির্ভরতার পথ করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার।তথ্য বলছে,সারা দেশে ৪৫বছরে বেকারত্ব রেকর্ড পরিমাণ বাড়লেও এই রাজ্যে বেকারত্ব ৪০শতাংশ কমে গেছে।তাই বেকারত্বের সমস্যা দূরীকরণে প্রশাসনের সেই কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পকে একেবারে হাতের নাগালে এনে দিতে চায় রাজ্য সরকার।সেজন্য এবার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ডের আবেদন। বর্তমানে ৩৫৬১টি বিএসকে-তে ঋণের
সুবিধা মিলছে ব্যবসায় ইচ্ছুক মানুষের। নতুন করে আরও ১৪৩১টি বিএসকে চালু করার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের। সেখানে আবেদনের সুযোগ পাবেন উদ্যোগী যুবক-যুবতীরা। ৮০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ অনুমোদন করেছে প্রশাসন।
আরও বেশি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকে এই ভবিষ্যত ক্রেডিট কার্ডের সুযোগ মিললে তাঁরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন বলে প্রশাসনের কর্তারা মনে করছেন। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিএসকেতে কী কী সুবিধা মিলছে তা জনগণকে জানাতে।সেইমতো এবার বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকে রোজগারমুখী সংস্থা ও ব্যক্তি সুবিধা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।






