রাজ্যের খবর

বেঙ্গালুরুতে পুলিশের অভিযান! পাকড়াও ৩১ জন বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, আনা হলো মালদহে

আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে মালদহ সীমান্ত দিয়েই বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর

Truth of Bengal: বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে বেঙ্গালুরুতে কাজ করছিলেন—এমন অভিযোগে ৩১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে এবার পশ্চিমবঙ্গের মালদহে আনা হল। তাঁদের আপাতত হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে মালদহ সীমান্ত দিয়েই বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি অভিযান জোরদার হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই অনুপ্রবেশ রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়েছেন। একইভাবে পশ্চিমবঙ্গেও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি ও ধরপাকড় বাড়ানো হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের সাময়িকভাবে রাখার জন্য একাধিক হোল্ডিং সেন্টারও তৈরি করা হয়েছে।

এই আবহেই কর্ণাটক পুলিশ ‘অপারেশন মুক্ত’ নামে বিশেষ অভিযান চালায়। গত ৯ আগস্ট বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এবং ইলেকট্রনিক সিটি এলাকায় ওই অভিযান হয়। মোট ২ হাজার ৯৪৪ জনের পরিচয়পত্র ও নথি যাচাই করা হয়। তাঁদের মধ্যে ১০৫ জনকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এর মধ্যে ৩১ জনকে আটক করে পশ্চিমবঙ্গে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রবিবার তাঁদের বিশেষ নজরদারির মধ্যে ট্রেনে তোলা হয়। কর্ণাটক পুলিশের ২০ সদস্যের একটি দলও তাঁদের সঙ্গে ছিল। মঙ্গলবার রাতে ট্রেনটি মালদহ টাউন স্টেশনে পৌঁছয়। আগে থেকেই সেখানে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এরপর ওই ৩১ জনকে মালদহ জেলা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে তাঁদের হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে তাঁরা বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিলেন। তাঁদের কাছে ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথি ছিল না বলেও দাবি পুলিশের। পরে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা। বেঙ্গালুরুতেও নানা ধরনের কাজে যুক্ত ছিলেন। এখন তাঁদের পরিচয়, নথি এবং বাংলাদেশি নাগরিকত্বের বিষয়টি যাচাই করা হবে। প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সীমান্ত দিয়ে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।