লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে পাওয়া অর্থ, গ্রামে আলো জ্বালানোর জন্য ব্যয় করলেন প্রধান
Lakshmir Bhandar

The Truth of Bengal: এতদিন ঘর সাংসার সামলেছেন,এখন সমাজের উন্নতির কথা চিন্তা করে পঞ্চায়েতের দায়িত্ব নিয়েছেন আখতারি বেগম। দায়িত্ব নিয়ে তিনি উপযুক্ত ভূমিকা পালন করতে চান। একের পর এক গ্রামোন্নয়নের পরিকল্পনা রূপায়ন করে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। কার্যতঃ তিনি গ্রামবদলের নব রূপকার হয়ে উঠেছেন।জনপ্রতিনিধিদের রোলমডেলও বটে। কেন এভাবে গ্রামের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি। দেখা যায়,গাঁয়ে আলো না থাকায় দীর্ঘদিন সমস্যার মুখে পড়তে হয় গ্রামবাসীদের। কিন্তু অত টাকা কোথা থেকে আসবে তা নিয়ে চিন্তা করেন প্রধান। নিজেই উপায় বের করেন আখতারি বেগম। লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে যে টাকা পেয়েছিলেন তিনি সেই টাকাই সৌরবাতি লাগানোর কাজে খরচ করেন তিনি। ২৪মাস ধরে যে টাকা জমেছিল সেই টাকাই আলো জ্বালানোর কাজে ব্যয় করলেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েতের এই সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা দেখে বেশ খুশি সকলেই।
কথায় বলে আপনি আচরি ধর্ম পরেরে শিখাও।তাই প্রধানের স্বার্থত্যাগ করার কাজে অনুপ্রাণিত হতে সদস্যরাও এগিয়ে এসেছেন। তাঁরাও ভাতা বাবদ মেলা অর্থ গ্রামের সৌরবিদ্যুত প্রকল্পে খরচ করেছেন। জনপ্রতিনিধিদের যৌথ প্রচেষ্টায় বিকল্প পথে বিকল্প শক্তির কার্যকর হল। তাতে সবার আগে উপকৃত হয়েছেন গ্রামবাসীরা। সকলেই লক্ষ্ণীর ভান্ডার প্রকল্পের সুনাম করছে। সামাজিক কল্যাণের প্রতি দায়বদ্ধতা দেখে দলমত নির্বিশেষে মানুষ প্রশংসাও করছেন।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প বাবদ জেনারেল মহিলারা ৫০০টাকা পান আর তফশিলি মহিলারা হাজার টাকা পান। এখন সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারই কারুর সংসার চালাতে,কারুর ছেলেমেয়ের লেখাপড়া শেখাতে কাজে লাগানো হচ্ছে। আর মালদার আলিনগর পঞ্চায়েতের প্রধান সেই অর্থ দিয়ে গ্রামকে আলোকোজ্বল করার যে দরদী ভূমিকা পালন করলেন তার তারিফ করছেন সকলেই। রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে জনসেবার প্রতি আন্তরিকতা অন্যান্য পঞ্চায়েতের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে।






