
The Truth of Bengal: কাঁটাতারের বেড়া দুই বাংলাকে ভৌগলিকভাবে ভাগ করলেও দুপারের শিল্প-সংস্কৃতির একাত্ম বোধ বরাবরই লক্ষ্যণীয়।এবার উঃদিনাজপুরের রায়গঞ্জের মৃৎ শিল্পীদের তৈরি সামগ্রী ও শিল্প সাধনা নিয়ে প্রাথমিক ধারণা লাভ করলেন ওপার বাংলার শিল্পীরা। খোলামেলা শিল্পের এই সহজপাঠ রীতিমতো এক আবেগঘন মুহুর্ত তৈরি করে। বলা যায়,‘মৃৎ’ শব্দের অর্থ মৃত্তিকা বা মাটি আর ‘শিল্প’ বলতে বোঝানো হয় সুন্দর ও সৃষ্টিশীল বস্তুকে। তাই মাটি দিয়ে তৈরি শিল্পকর্ম নানা মহলে সেরামিক আর্ট নামেই পরিচিত।
এখন সেই কুটির শিল্পের চর্চা ও প্রশিক্ষণ প্রদান বিশেষ ছাপ রাখল। লোক শিল্পও লোক সংস্কৃতি সম্পর্কে বস্তুগত ধারণা কার্যতঃ বাংলাদেশের গবেষকদের সমৃদ্ধ করেছে বলে সেদেশের অধ্যাপকরা জানিয়েছেন। তাদের প্রথম গন্তব্য ছিল রায়গঞ্জের ভানুপালের মৃৎ শিল্পালয়। এখানে এসে যার কারণে আপ্লুত পড়ুয়ারা। প্রসঙ্গতঃ ভানুপালের মৃৎ শিল্পকলার নাম প্রসারিত হয়েছে দেশ-বিদেশে।
তাঁর হাতের তৈরি নানার জিনিস সমাদৃত হয়েছে বাংলাদেশেও। মৃৎশিল্পালয়ে মাটির তৈরি নানান জিনিসপত্রের বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা। শিল্পের জাদুকর হওয়ার বাসনা নিয়ে যাঁরা বাংলাদেশ থেকে এসেছেন তাঁরাও হাতেকলমে শিক্ষালাভের সুযোগ পেয়ে বেশ আনন্দিত। গ্রামীণ শিল্পকলা, লোকশিল্প সহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা লাভ করার পাশাপাশি এপার বাংলার আতিথেয়তায় মুগ্ধ শিক্ষাজগতের কৃতীরা।






