খেলারাজ্যের খবর

ভ্রামরী দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে লড়াই শুরু! আইনি জট কাটিয়ে অবশেষে মনোনয়ন স্বপ্নার

আইনি জটিলতা আর টালবাহানার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নির্বাচনী ময়দানে নামলেন এশিয়াডে সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন।

Truth Of Bengal: আইনি জটিলতা আর টালবাহানার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নির্বাচনী ময়দানে নামলেন এশিয়াডে সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন। সোমবার সকালে বোদাগঞ্জে ভ্রামরী দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন এই তারকা অ্যাথলিট। আইনি জাঁতাকলে পড়ে যাঁর প্রার্থীপদ ঘিরেই সংশয় তৈরি হয়েছিল, মনোনয়ন জমার পর সেই স্বপ্নার গলায় শোনা গেল আত্মত্যাগের সুর।

তৃণমূলের টিকিটে নাম ঘোষণার পর থেকেই স্বপ্নার সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তাঁর রেলের চাকরি। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে কর্মরত স্বপ্নার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তুলেছিল রেল কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ ছিল, ছুটিতে থাকাকালীন তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়েছেন। সরকারি চাকরিতে ইস্তফা মঞ্জুর হলেও এনওসি (NOC) বা ‘নো ডিউস সার্টিফিকেট’ নিয়ে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত টানাপোড়েন চলে। শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে সবুজ সংকেত মিলতেই সোমবার শেষ দিনে মনোনয়ন জমা দেন তিনি।

মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন স্বপ্না। তিনি বলেন, “অনেক ত্যাগের পর আজ মনোনয়ন দিলাম। রাজগঞ্জের মানুষ আমাকে খুব ভালবাসেন। গত কয়েকদিন প্রচারে বেরিয়ে যে আপ্যায়ন পেয়েছি, তাতে আমি আপ্লুত। আমি রাজগঞ্জেরই মেয়ে, খেলাধুলোর জগৎ থেকেই আমার উঠে আসা। মানুষের আশীর্বাদ সঙ্গে নিয়ে জয়ের বিষয়ে আমি ১০০ শতাংশ আশাবাদী।”

উল্লেখ্য, রাজগঞ্জের বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের জায়গায় স্বপ্নাকে প্রার্থী করায় শুরুতে দলের অন্দরে কিছুটা ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। তবে সেই ‘ফাঁড়া’ও এখন অতীত। খগেশ্বরবাবু নিজে এখন স্বপ্নার হাত ধরে জনসংযোগ করছেন। আগামী ২৩ মে রাজগঞ্জে ভোটগ্রহণ। খেলার মাঠের পর এবার রাজনীতির ট্র্যাকেও সোনা জিততে পারেন কি না রাজগঞ্জের ভূমিপুত্র স্বপ্না, এখন সেটাই দেখার।

Related Articles