রাজ্যের খবর

গোপনে চলছে জলাশয় ভরাট,পদক্ষেপের আশ্বাস প্রশাসনের

Fill the pond

The Truth of Bengal: জলাভূমি ভরাট রুখতে ১৯৮৪ সালে মৎস্য দফতর আইন তৈরি করে। ২০০৮ সালে সেই আইন সংশোধন করা হয়। তাতে বলা হয় পুকুর বা জলাভূমি হিসেবে উল্লেখ না থাকলেও তা ভরাট করা যাবে না।বেআইনিভাবে জলাভূমি ভরাট করলেই কড়া পদক্ষেপ,নির্দেশিকা জারি করে রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের রুপসিং মৌজায় চলছে অবৈধভাবে পুকুর ভরাট। খবর পেতেই পদক্ষেপ প্রশাসনের। নকশালবাড়ি ব্লকের লোয়ার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়  প্রশাসনের কোন অনুমতি ছাড়াই বালি দিয়ে চলছে পুকুর ভরাটের কাজ।

অবৈধভাবে পুকুর ভরাট শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত নকশালবাড়ি ব্লকের লোয়ার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার রুপসিং মৌজায়।‌ অভিযোগ প্রশাসনের  কোন অনুমতি ছাড়াই দেদার বালি দিয়ে চলছে পুকুর ভরাটের কাজের। ২ বিঘা জমি জুড়ে এই পুকুর আর পুকুরের চারিদিকে লম্বা দেওয়াল তুলে নদীর বালি দিয়ে  চলছে পুকুর ভরাট। স্থানীয়দের অভিয়োগ  চুপি সাড়ে চলছে এই অবৈধ ভাবে পুকুর ভরাট। তবে স্থানীয়রা ক্যামেরার সামনে কোন রকম মন্তব্য করতে নারাজ। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান ওই এলাকার পুকুর ছিল তা বালি দিয়ে ভরাট হচ্ছে।

গোপনে এই পুকুর ভরাটের খবর আমাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে জানতে পারে প্রশাসন। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়, অঞ্চলটি পরিদর্শনে যান সরকারি আধিকারিকরা। আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যাবস্থার আশ্বাস নকশালবাড়ির বিএল‌আর‌ও বিপ্লব হালদার ও বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান বিশ্বজিৎ ঘোষ-এর। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের রুপসিং মৌজায় ওই জলাশয় ভরাটের কাজ বন্ধ করিয়েছে প্রশাসন। একই সঙ্গে প্রশাসনিকস্তরে আইনি কী পদক্ষেপ নাওয়া সে দিকে তাকিয়ে পরিবেশপ্রেমীরা।

Free Access

Related Articles