রাজ্যের খবর

Rain Reliance: বৃষ্টিহীন আমন চাষে উদ্বিগ্ন কৃষক— শুকিয়ে যাচ্ছে বীজতলা, ফলন সংকটে

Rain Reliance: With little rain, Aman paddy seedbeds are drying under intense heat—farmers fear lower yields, weed threats and crop disease in rain‑fed fields.

Truth Of Bengal: ভারতের প্রধান খাদ্য ফসল হল ধান। মূলত আমন ধান সবথেকে বেশি পরিমাণে চাষ হয় রাজ্যে। ইতিমধ্যে আমন ধানের জন্য বেশিরভাগ কৃষক বীজতলা তৈরি করে ফেলেছেন(Rain Reliance)। কিন্তু বৃষ্টির পরিমাণ কম হওয়ায় এই মুহূর্তে চিন্তায় ধানচাষিরা।বীজতলা সাধারণত দুই ধরনের হয় – ভেজা বীজতলা ও শুকনো বীজতলা। আমন ধানের জন্য বেশিরভাগ কৃষক সাধারণত ভেজা বীজতলা তৈরি করেন। আগাম কিছুটা বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকরা ভেজা বীজতলা তৈরি করে ফেলেছেন। এদিকে বীজতলা থেকে ধানের চারা তুলে তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে জমিতে রোপন করতে হয়। তাহলে ধানের ফলন ভালো হয়। কিন্তু বর্তমানে একটানা তীব্র দাবদাহের কারণে শুকনো হয়ে রয়েছে কৃষিজমি।

[আরও পড়ুনঃ Green Summit: হাওড়া ময়দানে আইএমএ হলে অঙ্গনা ফাউন্ডেশনের ৩য় প্রতিষ্ঠা দিবসে পরিবেশ সম্মেলন]

যে কারণে শুকিয়ে গিয়েছে বীজতলাও। আর বৃষ্টি না হওয়ায় সঠিক সময়ে বীজতলা থেকে চারা তুলে ধান রোপণ করা নিয়ে চিন্তায় ধানচাষিরা(Rain Reliance)। কারণ আমন ধান চাষের জন্য বৃষ্টির ওপরেই মূলত নির্ভরশীল ধানচাষিরা। তাছাড়া জলসেচ করে ধান চাষ করাটা অনেকটা ব্যায়বহুল। যে কারণে এখনও পর্যন্ত ধান চাষ শুরু করতেই পারেননি কৃষকরা। আগাম বৃষ্টি হওয়ার সময় যদিও কিছুটা নিচু জমিতে বেশ কিছু কৃষক ধানের চারা লাগিয়েছেন। কিন্তু একটানা রৌদ্রের দাপটের কারণে সেই ধান ক্ষেতও শুকিয়ে গিয়েছে।

FB POST:https://www.facebook.com/truthofbengal

তবে এখন ‘সুধা’ পদ্ধতিতে (স্থানীয় ভাষায় যাকে ‘বলন’ বলা হয়) বীজতলা থেকে চারা তুলে নতুন করে চারা করা হয়। যদিও সেই বলন ক্ষেতও বর্তমানে শুকিয়ে গেছে(Rain Reliance)। স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টি না হওয়ায় ধান চাষ নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় ধানচাষিরা। ধানচাষিরা বলছেন, সঠিক সময়ে বীজতলা থেকে চারা তুলে ধান চাষ না করলে ফলন যেমন কম হওয়ার সম্ভাবনা, তেমনই বৃষ্টি না হলে জমিতে আগাছা বেশি ও ধানের বিভিন্ন রোগ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাই ধানচাষিরা এখন আকাশের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। কবে মুষলধারে বৃষ্টি নামবে এবং জমি চাষের পর ধান লাগাবেন চাষীরা। এদিকে আবহাওয়া দফতর বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও বৃষ্টির দেখা নেই। ছিটেফোঁটা যা বৃষ্টি মাঝেমধ্যে হচ্ছে তা ধান চাষের উপযোগী নয় বলে জানাচ্ছেন কৃষকরা।

Related Articles