রাজ্যের খবর

Murshidabad Violence: ফের রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদ! তৃণমূল সমর্থক খুনে চাঞ্চল্য

সিপিএমের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এই হত্যায় হাত রয়েছে তৃণমূলেরই।

Truth of Bengal: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই প্রচার পর্ব চালু হয়ে গিয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে। একদিকে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরের পাশাপাশি দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করছেন, তখন অন্যদিকে বঙ্গ বিজেপির হয়ে প্রচার করতে দিল্লি থেকে বাংলা এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Murshidabad Violence)। বামেরাও সম্প্রতি নিজেদের ব্রিগেড সেরে ফেলেছে। বলা ভালো, সময় অনেক বাকি থাকলেও এখন থেকেই একটা নির্বাচন পরিবেশ তৈরি হয়েছে গোটা বাংলায়।

এই তৈরি হওয়া নির্বাচনী পরিবেশে মুর্শিদাবাদে ঘটলো এক ভয়াবহ কান্ড। হত্যা করা হলো শাসকদলের এক সমর্থককে। ঘটনায় রাজনীতির যোগ রয়েছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই হত্যাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। শুরু হয়েছে একে অপরকে দোষারোপ করা। সিপিএমের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এই হত্যায় হাত রয়েছে তৃণমূলেরই। যদিও ঘাসফুল শিবির সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে যে গ্রাম্য বিবাদের কারণেই এমনটা হয়েছে এবং পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার।

আরও পড়ুন: COVID: ফের ছড়াচ্ছে করোনা! দেশে আক্রান্ত ৬ হাজার ছুঁইছুঁই

জানা গিয়েছে মৃত তৃণমূল সমর্থকের নাম বাবলু শেখ। কিভাবে এই ঘটনাটি ঘটে, তা জানিয়েছেন মৃত বাবলুর ভাইপো জামিরুল শেখ। তিনি বলেন, “গত লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসে ১০০টি ভোট পড়েছিল পাতলাটোলায়। এরপর শাসকদলের অত্যাচারে বহু পরিবার গ্রাম ছাড়া হয়। সবাই তৃণমূল সমর্থক ছিলেন। উনিও সেই তালিকায় ছিলেন। কিছুদিন আগে ঈদ উপলক্ষে বহু পরিবার গ্রামে ফেরে। উনিও তাঁদের মধ্যে ছিলেন। সোমবার বিকেলে উনি চায়ের দোকানে বসেছিলেন। তখন এক ব্যক্তি রড দিয়ে ওনার বুকের পাঁজরে আঘাত করেন এবং উনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ওনাকে সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা এরপর ওনাকে মৃত ঘোষণা করেন (Murshidabad Violence)।” অভিযুক্ত গিরিয়া গ্রামপঞ্চায়েতের উপপ্রধান তারু শেখের অনুগামী বলে শোনা যাচ্ছে।

Truth of Bengal FB Page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/

ঘটনা প্রসঙ্গে (Murshidabad Violence) সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য সোমনাথ সিংহ রায় বলেন, “গিরিয়ায় প্রায় ১০০টি পরিবারকে, জোট প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য, ঘরছাড়া হতে হয়েছিল তৃণমূলের অত্যাচারে। ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পর তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী ওদের উপর নতুন করে হামলা করা শুরু করেছে।” সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক, তথা বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী, আখরুজ্জামান বলেন, “রাজনীতির কোন যোগ নেই এই ঘটনার সঙ্গে। এই হত্যা হয়েছে গ্রাম্য বিবাদের কারণে। তবে পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার জন্য বলা হয়েছে।” এবার দেখার বিষয় যে তদন্ত করে কি বার করে পুলিশ। কাদের হাত রয়েছে এই ঘটনায় সেটাই দেখার।

Related Articles