চাঁদার জুলুমে ফাটল মাথা, পড়ল আটটি সেলাই
Man suffers head fracture due to extortion, needs eight stitches
Truth Of Bengal: গোপাল পুজোর চাঁদার জুলুমে মাথায় ধারালো দায়ের কোপে পড়ল আটটি সেলাই, বইলো রক্তগঙ্গা। পরিস্থিতি সামাল দিতে উপস্থিত শান্তিপুর থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। ঘটনায় গ্রেফতার এক অভিযুক্ত।
রবিবার রাতে দোলের শোভাযাত্রার কয়েক মুহূর্ত আগে শোভাযাত্রার রাস্তায় রণক্ষেত্র পরিস্থিতি নদীয়া শান্তিপুর সুত্রাগড় কৃষ্ণ কালিতলা স্ট্রিট সাহাপাড়ায়। গোপাল পুজোর চাঁদার জুলুমে মাথায় ধারালো দায়ের কোপ মারা হয় এলাকার বাসিন্দা গৌতম ইন্দ্রকে।
গৌতম ইন্দ্রের অভিযোগ, একই পাড়ায় বসবাস করা সত্ত্বেও অন্য প্রান্তের রাজা চক্রবর্তী এবং তার বন্ধু সাহেব এবং রাজার বাবা দেবাশীষ চক্রবর্তী পুজোর চাঁদা চাইতে যায় যখন তিনি বাড়িতে ছিলেন। তখন তার কাছে একটি মাত্র ৫০০ টাকা নোট ছিল। ভাঙানি না থাকায় তিনি জানান যে, সন্ধ্যাবেলায় ১০০ টাকা দেবেন তিনি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার বাড়ির দরজায় রামদা নিয়ে এসে অশ্রাব্য গালিগালাজ এবং ধাক্কাধাক্কি করা হয়।
এরপরে সে বাইরে বেরোলেই তার মাথায় ওই ধারালো দা দিয়ে কোপ মারা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তার আত্মীয়-স্বজন তাকে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায় সেখানে তার মাথায় আটটি সেলাই পড়ে। তবে প্রতিবেশীদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে গৌতম ইন্দ্রের পরিবার জানায়, প্রত্যেকেই থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন।
কিন্তু ভয়ে কেউ বেরোতে পারেননি, যেহেতু তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। তবে শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগের কথা জানিয়েছেন গৌতমের পরিবার। তারা চান বাকি দুজনেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত দেবাশীষ প্রামাণিক গ্রেফতার হওয়ার পর তার পরিবারের তরফে জানানো হয়, তাদেরও খাবারের দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। দোলের শোভাযাত্রার কিছু অগ্রিম অর্ডার ধরা ছিল তাই এখনও পর্যন্ত থানায় যাওয়ার সময় হয়নি তবে শোভাযাত্রা মিটে গেলে তারাও থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ জানাবেন। তবে এক্ষেত্রে দুপক্ষই একে অন্যের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় থাকার পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।






