অবহেলার আঁধার ঘুচিয়ে মডেল গ্রাম মোহবনী: ভোল বদলে যাচ্ছে শহীদ ক্ষুদিরামের জন্মভিটের
ইতিমধ্যেই মোহবনী গ্রামে পাকা রাস্তা, উন্নত নিকাশি ব্যবস্থা, পরিশ্রুত পানীয় জল এবং পথবাতির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
Truth Of Bengal: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে মডেল গ্রাম হিসেবে ভোল বদলে যাচ্ছে মেদিনীপুরের প্রথম শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভিটে মোহবনীর। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের অন্তর্গত এই গ্রামটি একসময় চরম অবহেলায় থাকলেও, বর্তমানে রাজ্য সরকারের বিশেষ উদ্যোগে সেখানে আধুনিক নাগরিক পরিষেবার ছোঁয়া লেগেছে।
ইতিমধ্যেই মোহবনী গ্রামে পাকা রাস্তা, উন্নত নিকাশি ব্যবস্থা, পরিশ্রুত পানীয় জল এবং পথবাতির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নবগঠিত ‘মোহবনী উন্নয়ন পর্ষদ’-এর তত্ত্বাবধানে গ্রামটিকে আদর্শ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। রাস্তার দুই ধারে সুসজ্জিত স্ট্রিট লাইট বসানোর ফলে রাতের অন্ধকারেও যাতায়াত অনেক নিরাপদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

গ্রামের সাধারণ মানুষের মতে, বাম আমল থেকে শুরু করে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে এই ঐতিহাসিক গ্রামটি অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। কর্দমাক্ত রাস্তাঘাটের কারণে ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া কিংবা সাধারণ মানুষের বাজারে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ছিল। গ্রামবাসীরা জানান, বর্তমান সরকার মোহবনীকে মডেল গ্রাম ঘোষণা করার পর থেকেই উন্নয়নের কাজ গতি পেয়েছে। এখন গ্রামের প্রতিটি গলি পাকা এবং রাতে আলোর ব্যবস্থা থাকায় তাঁরা স্বস্তিতে রয়েছেন।
কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চিত্তরঞ্জন গরাই বলেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। মোহবনীকে মডেল গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করার পর উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করে কাজ শুরু হয়েছিল। আজ রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে পানীয় জল ও ড্রেনেজ সিস্টেম- সবকিছুই সুন্দরভাবে রূপায়ণ করা হয়েছে। শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর স্মৃতিবিজড়িত এই গ্রাম এখন প্রকৃত অর্থেই উন্নয়নের আলোয় ভাসছে।”






