
The Trurth of Bengal: দ্বাপর যুগে শ্রীকৃষ্ণ, ছিলেন দেবকি ও বাসুদেব এর সন্তান। হিন্দু ধর্মাম্বলীরা তাঁর জন্মদিন জন্মাষ্টমী হিসেবে পালন করে।কথিত আছে, শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় চারিদিকে অরাজকতা, নিপীড়ন, অত্যাচার চরম পর্যায়ে ছিল। সেই সময় মানুষের স্বাধীনতা বলে কিছু ছিল না। সর্বত্র ছিল অশুভ শক্তির দাপট।কংসকে দমন করা কৃষ্ণের প্রতি শ্রদ্ধা-নিবেদন করে প্রতিবছরই জন্মাষ্টমীতে সুরে –সাধনায় ভরিয়ে তোলা হয়।কথায় বলে,তালের বড়া খেয়ে গোপাল নাচিতে লাগিল।
তাই তালের বড়া খাইয়ে বাসুদেবের পুত্রের মনজয়ের চেষ্টা হয়,চেষ্টা হয় আর্শীবাদ প্রার্থনা । শোনা যায়, বাসুদেব কৃষ্ণকে নন্দরাজের কাছে রেখে আসার পর গোকুলে কৃষ্ণের আবির্ভাব উপলক্ষে নন্দ উৎসবেই প্রথম খাওয়া হয়েছিল তালের বড়া। কৃষ্ণের অতি প্রিয় এই খাবারটি ভালবাসেন সকলেই।এখন ব্যস্তযুগে তালের বড়া আর বাড়িতে তৈরি হয় না।তাই রেডিমেড তালের বড়াতেই ভগবানের অবতারকে পুজো দেওয়ার চলও দেখা যাচ্ছে। জন্মাষ্টমী পুজোর রীতি শুরু হয় সূর্য ডোবার পর। ভজন, পুজো, মধ্য রাতে উপবাস ভাঙার পরের দিন পালিত হয় নন্দ উৎসব। এই দিন গোপালকে ৫৬ পদে ভোগ দেওয়ার নিয়ম। কৃষ্ণের প্রিয় মাখন, মিছরির সঙ্গে ফল, নানা রকম মিষ্টিও, নিমকি দেওয়া হয়।
কেন এই পাকা তাল কৃষ্ণের প্রিয় ? ধর্ম বিশ্বাস অনুষায়ী,ভাদ্র মাসে জন্ম হওয়ার কারণে পাকা তাল কৃষ্ণের প্রিয়। জন্মাষ্টমীতে তাই তালের বড়া, তাল ক্ষীর, তালের লুচির মতো নানাবিধ সুস্বাদু খাবারে সাজিয়ে দেওয়া হয় থালায়। এ ছাড়াও মঠরি, রাবড়ি, মোহনভোগ, ক্ষীর, জিলিপির মতো নানা রকম মিষ্টি, শাক, দই, খিচুড়ি, দুধ, কাজু, মোরব্বা সব কিছু দিয়ে তৈরি হয় ছাপ্পান্ন ভোগ। দোকানে বেচাকেনার বাজার চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি অনলাইনেও এখন অর্ডার দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।






