রাজ্যের খবর

অভিষেকের ‘মিথ্যাচার’ ফাঁস? রেজিনগরের ভোট-তথ্য সামনে এনে জবাব কমিশনের

কিছুক্ষণের মধ্যেই পাল্টা তথ্য প্রকাশ করে সেই দাবি খারিজ করে দেয় নির্বাচন কমিশন

Truth of Bengal: রেজিনগর উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর একটি বুথের ভোটের অঙ্ক ঘিরে তৈরি হল নতুন বিতর্ক। ভোটার সংখ্যার তুলনায় বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট বেশি—এমন অভিযোগ তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই পাল্টা তথ্য প্রকাশ করে সেই দাবি খারিজ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। বিতর্কের সূত্রপাত শুক্রবার ভোটগণনার সময়। একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে দাবি করা হয়, রেজিনগরের ১০৯ নম্বর বুথে মোট ভোটার ৭৭২ জন। অথচ ওই বুথে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার পেয়েছেন ৯০৯টি ভোট। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, মোট ভোটারের সংখ্যার চেয়ে কোনও প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট বেশি হয় কীভাবে?

পরিসংখ্যানটি দ্রুত সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই তথ্য শেয়ার করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ভোটগণনার স্বচ্ছতা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। এরপরই বিষয়টি নিয়ে সামনে আসে কমিশনের পাল্টা ব্যাখ্যা। মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে জানানো হয়, ১০৯ নম্বর বুথের মোট ভোটার সংখ্যা ৭৭২ নয়, ৯৭২। ওই বুথে বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ৯০৯টি ভোট। ফলে ভোটার সংখ্যার তুলনায় বিজেপির প্রাপ্ত ভোট বেশি হওয়ার যে দাবি ছড়িয়েছিল, তা সঠিক নয় বলে জানায় কমিশন।

জেলা নির্বাচনী আধিকারিক সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ওই দাবিকে ‘মিসইনফরমেশন’ বা বিভ্রান্তিকর তথ্য হিসেবে চিহ্নিত করেন। কমিশনের বক্তব্য, যাচাই না করা একটি পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের একাংশ অভিষেকের পোস্টকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে কটাক্ষ করেছে। অন্যদিকে মূল প্রশ্ন উঠেছে, ভুল পরিসংখ্যান প্রথমে কোথা থেকে প্রকাশিত হল এবং কীভাবে তা এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল।

Related Articles