মহা সমারোহে ‘দীপদান’ ইসকনে, আলোর উৎসবে ভক্ত সমাগম
Iskcon festival of lights started before Diwali

The Truth of Bengal: দীপাবলির আগেই শুরু হয়ে গেল আলোর উৎসব। মায়াপুরের ইসকন সেজে উঠেছে হাজার হাজার প্রদীপে। শুরু হয়েছে দীপদান উৎসব। কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার দিন শুরু হওয়া এই উৎসব চলবে রাস পূর্ণিমা পর্যন্ত। এই এক মাস মন্দির প্রাঙ্গনে প্রদীপ জ্বালানোর রীতি রয়েছে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষ বহু ভক্ত আসেন প্রদীপ জ্বালাতে। একইসঙ্গে চলবে দামোদরাষ্টকম স্ত্রোত্র পাঠ।সনাতন ধর্মে যত উৎসব আছে তার মধ্যে দীপাবলি অন্যতম। বিজয় দশমীর কুড়ি দিন পর থেকে উৎযাপিত হয় এই উৎসব।
পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, ত্রেতা যুগে রাবণকে বধ করার পর যখন শ্রীরামচন্দ্র তাঁর নিজের রাজ্য অযোধ্যায় ফিরেছিলেন তখন অযোধ্যারবাসী তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য এক বিশেষ উৎসবের আয়োজন করেছিলেন। সমগ্র অযোধ্যা নগরীকে আলোকমালায় সজ্জিত করে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছিল। সেই দিনটি স্মরণে এই উৎসব পালিত হয় বলে অনেকে মনে করেন। আবার পদ্মপুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে, কার্তিক মাসের এই বিশেষ তিথিতে যদি কেউ উন্মুক্ত আকাশের নীচে প্রদীপ জ্বালায় তা হলে অনেক পুণ্যার্জন হয়।
স্বাভাবিক ভাবেই এই উৎসবকে ঘিরে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে ভক্তদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো।প্রতিদিন এই অনুষ্ঠান চলবে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। প্রতিবছর এই অনুষ্ঠানে ধর্মপ্রাণ হাজার হাজার মানুষ আসে। দেশ-বিদেশ থেকে অংশগ্রহণ করেন ভক্তরা। পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃথক লাইনের ব্যবস্থা করাও হয়েছে। এছাড়াও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার বিশেষ সুযোগ লাভ করা যায় এই উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে। ফলে জীবনের পারমার্থিক প্রগতি লাভ হয়। এই বিশ্বাস থেকে ইসকনে দীপদান উৎসবে হাজির হচ্ছেন হাজার হাজার ভক্ত।
Free access






