কলকাতারাজ্যের খবর

Howrah Bridge Bribery: তোলাবাজির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ল এএসআই ও কনস্টেবল, তারপর…

ঘটনায় অভিযুক্ত এক এএসআই ও এক কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

Truth of Bengal: ফের প্রশ্নের মুখে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন। হাওড়া ব্রিজে দাঁড়িয়ে পুলিশের পিসিআর ভ্যান থেকে গাড়ি থামিয়ে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনায় অভিযুক্ত এক এএসআই ও এক কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি, চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে অভিযুক্ত পিসিআর ভ্যানে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ারকেও (Howrah Bridge Bribery)।

আরও পড়ুনঃ Land Dispute: জমি বিবাদে রণক্ষেত্র আলীনগর, বোমার আঘাতে মৃত রফিকুল শেখ

সূত্রের খবর, সোমবার রাতে পেট্রোলিং চলাকালীন অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের চোখে পড়ে ঘটনাটি। তাঁরা নিজের চোখে দেখেন, হাওড়া ব্রিজে পিসিআর ভ্যান দাঁড় করিয়ে একাধিক গাড়িচালকের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছেন ওই পুলিশ কর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি রিপোর্ট করা হয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে। তার পরপরই পুলিশ বিভাগ থেকে দ্রুত তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়। বরখাস্ত করা হয় ওই পিসিআর ভ্যানে ডিউটি করা সিভিক ভলান্টিয়ারকেও (Howrah Bridge Bribery)।

উল্লেখ্য, এটি নতুন কোনও ঘটনা নয়। এর আগেও দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে পুলিশের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। সেবারও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে, যেখানে দেখা গিয়েছিল, গাড়ি থামিয়ে পুলিশ সদস্যরা ‘কিছু কথা বলার’ অজুহাতে চালকের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। ওই ঘটনার পরেও কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল লালবাজার (Howrah Bridge Bribery)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/

পুলিশ সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে আগেই স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে— রাস্তায় ডিউটির সময় কোনওরকম তোলাবাজি বরদাস্ত করা হবে না। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীও একাধিকবার এই বিষয়ে পুলিশ আধিকারিকদের কড়া বার্তা দিয়েছেন। তবুও, পুলিশি ডিউটির আড়ালে এই ধরনের বেআইনি লেনদেনের অভিযোগে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে প্রশাসনের ভাবমূর্তি। এই ঘটনার পর পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, “কোনওভাবেই এই ধরনের বেআইনি কাজকে মেনে নেওয়া হবে না। যেই জড়িত থাকুক না কেন, তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Howrah Bridge Bribery)।”

Related Articles