Gopal Sheth resignation: বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যানের পদ ছাড়লেন গোপাল শেঠ, সুব্রত বক্সীর নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত
Truth of Bengal: দীর্ঘ টানাপোড়েন এবং দলীয় নির্দেশ অমান্য করার পর অবশেষে বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন গোপাল শেঠ। বুধবার দুপুরে পুরসভায় তাঁর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আস্থাভোট হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার আগেই তিনি পদত্যাগ করলেন। বনগাঁ পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের কাছে ইমেলের মাধ্যমে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন গোপাল শেঠ। পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর নির্দেশেই তিনি এই পদ ছেড়েছেন।
বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে অবশেষে পদত্যাগ করলেন গোপাল শেঠ। pic.twitter.com/7Rj6OsIu7n
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) December 10, 2025
বেশ কিছুদিন ধরেই পুরসভার পরিষেবা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছিল, যা কাউন্সিলরদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। দলের অন্দরে গোপালকে নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে থাকায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। গত ৬ নভেম্বর দলীয় তরফে গোপালকে চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং সাত দিন সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে গোপাল পদ ছাড়তে অস্বীকার করেন এবং ছুটিতে চলে যান। এই কারণে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিসও পাঠিয়েছিল।
দলীয় নির্দেশ অমান্য করায় ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। ফলস্বরূপ, গত ১৯ নভেম্বর বনগাঁ পুরসভার ন’জন কাউন্সিলর গোপালের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। এরপরও তিনি পদত্যাগ না করায় রবিবার তিন কাউন্সিলর আনুষ্ঠানিক আস্থাভোটের ডাক দেন, যা বুধবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে আস্থাভোটের আগেই তাঁর এই ইস্তফা জেলার রাজনীতিতে নতুন মোড় আনল। গোপাল শেঠের পদত্যাগের পর জেলা তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে খুশির মেজাজ দেখা গেছে। অনেককেই আতশবাজি পুড়িয়ে এবং মিষ্টি বিতরণ করে উল্লাস করতে দেখা যায়।






