Suvendu Adhikari: ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত চার সাংসদের! “পিটিশন চার-পাঁচ বছর ধরে ঝুলে থাকবে না..”- হুংকার শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari: Four MLA Will Loose Their Seat From Bengal? “The petition will not hang for four-five years..”- Shuvend Said
The Truth Of Bengal: ৪ঠা জুন এক অভূতপূর্ণ ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে বঙ্গ রাজনীতি! মাঠে তৃণমূল-বিজেপি-সিপিআইএম-কংগ্রেস থাকলেও মূলত নজরে ছিল দুই ফুল। লোকসভা ভোটে বহুবার প্রচারে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তবে শুধুমাত্র প্রচারেই নয় ভোটের সময় একাধিক নাটকের সাক্ষীও থেকেছে রাজ্যবাসী। কখনও প্রার্থীকে সরাসরি মোবাইলে কলিং কিংবা একই দিনে তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে একই এলাকায় পথযাত্রা করতে দেখা গিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীকে। তবে তাতেও চিঁড়ে ভেজেনি। দেশে ৪০০ পারের স্বপ্ন পূরণ করতে না পারলেও, ডবল ডিজিট পেয়ে রাজ্যে দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেম শুভেন্দুরা। যদিও বাংলা থেকে জেতার স্বপ্ন থেকে বহুদূরে সঙ্গে ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়ার স্বপ্ন থেকেও আপাতত বহু দূরেই থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। বাংলা থেকে ৪২টি আসনের মধ্যে ২৯ টি আসন পেয়ে জয় লাভ তৃণমূল এবং উল্টো দিকে মাত্র ১২টি আসন পান বিজেপি। তবে এবার ফলাফলের প্রথম থেকেই শান্তিতে দিন কাটাচ্ছিলেন কেবল একজন তিনি নির্বাচন কমিশন। তাঁর বিরুদ্ধে এই লোকসভায় খুব বড় অভিযোগ কাউকেই তেমন করতে দেখা যায়নি।
তবে এদিন এখানেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন শুভেন্দু, তিনি সরাসরি জানান এদিন, ভোটে জেতা তৃণমূলের একাধিক আসনে কারচুপি হয়েছে। তাছাড়াও সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, চার লোকসভা আসনে (ডায়মন্ড হারবার, বসিরহাট, জয়নগর এবং ঘাটাল) বিজেপি প্রার্থীরা কলকাতা হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করবেন। মঙ্গলবার কিংবা বুধবার তিনি এই পিটিশনটি কোর্টে উপস্থাপিত করে সত্যতা তুলে আনবেন সকলের কাছে।
এদিন বৈঠকে তৃণমূলের ভোট লুট সঙ্গে ছাপ্পার বিষয় নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা যায়। তিনি তাঁর অভিযোগে জানান, “এবারের লোকসভা ভোটে প্রায় ২০-২৫ লক্ষ ছাপ্পা ভোট পড়েছে। শুধু ডায়মন্ড হারবারে ছাপ্পা দেওয়া হয়েছে ১০ লক্ষের বেশি ভোট। ঘাটাল লোকসভার কেশপুরে দেড় লক্ষের বেশি ছাপ্পা ভোট পড়েছে। কমপক্ষে ২০-২৫ লক্ষ লোককে ভোট দিতে যেতে দেওয়া হয়নি।” যার পরই তাকে হাইকোর্টে এই ইলেকশন পিটিশনটি দাখিল করবার কথা জানান।
তিনি এদিন আরও বলেন, “ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় ইলেকশন পিটিশন দাখিল করবেন। কেশপুর ও সবংয়ের প্রচুর তথ্য সংগ্রহ করেছেন। আর সিসিটিভি ও ওয়েব কাস্টিংয়ের ফুটেজ সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবে পরীক্ষার আবেদন জানাবেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। সেই পরীক্ষা পক্ষে এলে ডায়মন্ড হারবারের ভোট প্রক্রিয়া বাতিল ও সিবিআই তদন্তের আবেদন জানানো হবে। ইলেকশন পিটিশন দাখিল করবেন জয়নগরের বিজেপি প্রার্থী অশোক কান্ডারী।”
এরপর তিনি তাঁর কথাও আরও কিছু মন্তব্য সংযোজন করে বলেন, “তৃণমূল শুনে রাখুক, এই ইলেকশন পিটিশন চার-পাঁচ বছর ধরে ঝুলে থাকবে না। ৬ মাসের মধ্যে যাতে এর নিষ্পত্তি হয়, সেই ব্যবস্থা করছি। কোচবিহারে ১৮ রাউন্ড পর্যন্ত আমাদের প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক এগিয়ে ছিলেন। ১৯-২০ রাউন্ডে তাঁকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইভিএম নম্বরের সঙ্গে প্রিসাইডিং অফিসারের ১৭সি ফর্মের নম্বর মেলেনি ১৯-২০ রাউন্ডে। এর জন্য যাঁরা প্রতিবাদ করেন, সেই এজেন্টদের পুলিশ গ্রেফতার করে।” এই কারচুপি না হলে বিধানসভার বিরোধী দল নেতা মনে করেন, এতে ভোটের ফলাফল তাঁদের আরও ভালো হত। তাই তিনি এই পিটিশনটি হাইকোর্টে উপস্থিত করতে চাইছেন।






