Egra: শ্বশুরবাড়ির নৃশংসতার শিকার অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ, পলাতক স্বামী ও শাশুড়ি
আরও অভিযোগ ওঠে সৌগতর বাড়ি থেকে ২ লক্ষ টাকা পনের জন্যেও চাপ দেওয়া হতে থাকে ওই বধূর বাপের বাড়িকে।
Truth of Bengal: শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর: শাশুড়ির পরকিয়ায় বাধা দেওয়ায় ও পনের দাবিতে অন্তসত্ত্বা গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠলো এগরাতে। এগরা থানার এরেন্দাবাদ এলাকার এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। যদিও ওই গৃহবধূর বাপের বাড়ির অভিযোগের পূর্বেই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র গা ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত স্বামী, শাশুড়ি সহ অভিযুক্তরা। শশুর প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে বাড়িতে রেখেই পালানা অভিযুক্তরা।(Egra)
[আরও পড়ুনঃ Chandrachud: প্রধান বিচারপতির বাসভবন বিতর্কের অবসান, আট মাস পর বাংলো ছাড়লেন চন্দ্রচূড়]
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত গৃহবধূ যমুনা জানা পাল, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের মেনকাপুর এলাকার বাসিন্দা। গ্রামের স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর প্রায় বছর দেড়ের আগে দেখাশোনা করে বিয়ে হয় এরেন্দাবাদ এলাকার যুবক সৌগত পালের সঙ্গে। সৌগতের পালের ব্যবসা রয়েছে। এমন অবস্থায় নববধূ যমুনা বর্তমানে ৮ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। আর তার মধ্যেই শাশুড়ি দূর্গা পালের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে।(Egra)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]
আরও অভিযোগ ওঠে সৌগতর বাড়ি থেকে ২ লক্ষ টাকা পনের জন্যেও চাপ দেওয়া হতে থাকে ওই বধূর বাপের বাড়িকে। বিষয়টি জানতে পেরেই প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন নববধূ যমুনা। আর তার জেরেই তাকে নৃশংস ভাবে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ওই বধুর বাপের বাড়ির লোকজনেরা। এদিন তাম্রলিপ্ত মেডিকেল কলেজের মর্গে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিশ।(Egra)
কান্নায় ভেঙে পড়ে বাবা শিবু জানা অভিযোগ করে বলেন, “মেয়ের শ্বশুর গৌরাঙ্গ পাল প্রতিবন্ধী ছিলেন। আর তার মধ্যেই বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই পনের দাবিতে মেয়ের ওপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। এমন অবস্থায় শাশুড়ির পরকীয়া প্রেমের বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবাদ করেছিল মেয়ে। আর তার জন্য যে এভাবে আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে ওরা খুন করে ফেলবে তা কখনোই ভাবতে পারিনি। আমরা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”






