বাংলার মসনদে কে? মন্ত্রিসভা গঠনে ‘মাস্টারস্ট্রোক’ বিজেপির, শপথের আগেই তুঙ্গে জল্পনা
উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অগ্নিমিত্রার নাম চর্চায়! মন্ত্রিসভা সাজাতে অমিত শাহের দিল্লি বৈঠকে বড় ইঙ্গিত
Truth of Bengal: রাজ্যে পালাবদলের পর এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন? নন্দীগ্রামের ‘ঘরের ছেলে’ শুভেন্দু অধিকারী নাকি গেরুয়া শিবিরের অন্য কোনও চমক? জল্পনার অন্ত নেই রাজনৈতিক মহলে। একদিকে যেমন শুভেন্দুর নাম শোনা যাচ্ছে, তেমনই আরএসএস মহলে কার্তিক মহারাজের নাম নিয়েও জোর গুঞ্জন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এখন দিল্লির দিকে তাকিয়ে বাংলা। ইতিমধ্যে কেশব ভবনে মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়ে চূড়ান্ত বৈঠক চলছে, আর তার মাঝেই মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সদস্যদের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
মন্ত্রিসভায় উত্তরবঙ্গের দাপট?
ভোটের কঠিন সময়েও যে উত্তরবঙ্গ বিজেপিকে নিরাশ করেনি, সেই ঋণ যেন শোধ করতে চায় গেরুয়া শিবির। মন্ত্রিসভা সাজানোর ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে খবর। সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভায় বড় দায়িত্ব পেতে পারেন নিশীথ প্রামাণিক এবং শঙ্কর ঘোষ। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের মন্ত্রিত্ব যেতে পারে নিশীথ প্রামাণিকের হাতে, অথবা সেই দফতরের দায়িত্ব সামলাতে পারেন শঙ্কর ঘোষ। অন্যদিকে, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের জন্য ক্রীড়াবিদ অশোক দিন্দার নাম নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে।
সাংস্কৃতিক জগৎ থেকে প্রশাসনিক দায়িত্বে?
সাংস্কৃতিক জগতের তারকাদের জায়গা দিতে পারে নতুন মন্ত্রিসভা। শিবপুর থেকে জয়ী অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষকে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে। এছাড়া রাসবিহারীর জয়ী প্রার্থী, পদ্মভূষণ সম্মানিত স্বপন দাশগুপ্তকে শিক্ষামন্ত্রী করার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে পীযূষ কানোরিয়ার নাম উঠে আসছে এবং জগদ্দলের প্রাক্তন আইপিএস রাজেশ কুমার পেতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ কোনও মন্ত্রিত্ব।
মহিলা মন্ত্রীদের রমরমা ও ‘অভয়ার মা’-এর চমক
নতুন মন্ত্রিসভায় মহিলা সদস্যদের উপস্থিতি থাকবে চোখে পড়ার মতো। এই দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন অগ্নিমিত্রা পল। শোনা যাচ্ছে, তাঁকে উপমুখ্যমন্ত্রী করার ভাবনাও চলছে। দলের দুঃসময়ে পথে নেমে লড়াই করার পুরস্কারস্বরূপই হয়তো এই বড় দায়িত্ব তাঁর কাঁধে উঠতে চলেছে। তবে এবারের মন্ত্রিসভার সবথেকে বড় চমক হতে চলেছেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। তাঁকে মন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত বিজেপির এক বড় আবেগী বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে। ৯ মে, ব্রিগেডের শপথগ্রহণ মঞ্চেই কি তবে চূড়ান্ত হয়ে যাবে নতুন বাংলার নতুন মন্ত্রিসভা? উত্তর পেতে আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা।


