জনশূন্য জলপাইগুড়ি, তীব্র গরমে পর্যটক শূন্য গাজোলডোবার ঝুলন্ত সেতু
Deserted Jalpaiguri, Gajoldoba suspension bridge devoid of tourists in scorching heat

The Truth Of Bengal : জলপাইগুড়ি, কল্যাণ চন্দ – রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প জলপাইগুড়ি গজলডোবা ভোরের আলো। সেই ভোরের আলো কে আরো সুন্দর করতে তৈরি হয়েছে ঝুলন্ত সেতু। সেই ঝুলন্ত সেতুর টানে হাজার হাজার মানুষ ঘুরতে আসে গজলডোবায়। কিন্তু কিছুদিন যাবত তীব্র গরমের ফলে জনশূন্য হয়ে পড়ে রয়েছে সেই গজলডোবা। গজলডোবা ভোরের আলো পর্যটন কেন্দ্রে একদম ফাঁকা । লোকসভা প্রথম দফা ভোটের পরে এই অবস্থা। আর তারপরেই ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত পড়েছে। প্রচন্ড রৌদ্র সঙ্গে গরম আর সেই কারণেই গজলডোবা ভোরের আলোয় আসছে না পর্যটকেরা। প্রত্যেক রবিবার প্রচন্ড ভিড় হলেও সপ্তাহের প্রত্যেকদিন বাইরে থেকে পর্যটকেরা আসে।
ভোরের আলোর ঝুলন্ত সেতুতে সেলফি আবার রিলস বানাতেও দেখা যায়। তবে এখন ঝুলন্ত যেন একাকীত্ব বোধ করছে। এবিষয়ে উত্তম রায় বলেন প্রচন্ড রোদ ও গরমে টিকে থাকা যাচ্ছে না। হাওয়া নেই বললেই চলে আর সেই কারণেই সম্ভবত বাইরে থেকে পর্যটকেরা আসছে না। যার ফলে ব্যবসা নেই বললেই চলে। পহেলা বৈশাখে প্রচুর ভিড় হয়েছিল তবে এখন দিনে দশজন পর্যটকও আসে না।
ফলে ক্ষতির মুখে অনেকটাই সমস্ত ব্যবসায়ী। অন্যদিকে চিংড়ি চপ ব্যবসায়ী মালতি বিশ্বাস বলেন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বাইরে থেকে তেমন আর কোন পর্যটক আসছে না গরমের কারণে, যারা বাইরে থেকে আসে তারা খোলা হাওয়া তিস্তা নদীর পাড়ে বসে চিংড়ি ও বিভিন্ন ধরনের মাছ ভাজার স্বাদ নিতে আসে।
প্রচন্ড গরমের কারণেই পর্যটকেরা আসছে না। তাই ব্যবসা ও নেই। পাশেই রয়েছে নৌকা বিহার। নৌকা সড়ক পরিমল বিশ্বাস বলেন পর্যটক না আসায় নৌকা বন্ধ করে বসে থাকতে হচ্ছে। নৌকা বিহার এ রয়েছে প্রায় ১০০ টি নৌকা ।প্রত্যেকেরই একই অবস্থা। আবার কবে গরমের তীব্রতা কমবে আর পর্যটকের দেখা মিলবে সেই আশায় এলাকার ব্যবসায়ীরা।





