কোচবিহারে আশ্চর্যকর কাণ্ড! শ্মশানে নড়ে উঠল ‘মৃতদেহ’, চাঞ্চল্য এলাকায়
সেখানে তাঁর দেহ নড়ে ওঠে বলে দাবি করেন তাঁর আত্মীয়-স্বজনরা।
Truth Of Bengal: এক আশ্চর্যকর ঘটনার সাক্ষী হল সমগ্র কোচবিহার। বলতে গেলে, চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা। কী সেই ঘটনা? শ্মশানে দেহ সৎকার করতে যাওয়ার সময়ে নড়ে উঠলো মৃতদেহ। এই দৃশ্য দেখেই ফের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে আবারও মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সেই এলাকায়।
জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি গুয়াহাটি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাটাকুড়ার বছর চল্লিশের বাসিন্দা প্রদীপ সরকার। চলতি মাসের ১ তারিখে তাঁকে কোচবিহারের এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা হওয়ায়। সোমবার সকালে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। দেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় শ্মশানে। সেখানে তাঁর দেহ নড়ে ওঠে বলে দাবি করেন তাঁর আত্মীয়-স্বজনরা।
এই ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় গোটা এলাকায়। সকলেই বিষয়টি জানতে পেরে একেবারে চমকে ওঠেন এবং ভাবতে শুরু করেন কীভাবে তা সম্ভব। তড়িঘড়ি ফের দেহ নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওনা দেন সকলে। তবে এবার হতাশ হতে হয় তাঁদের। প্রদীপবাবু মৃত কিনা, তা নিশ্চিত করতে ইসিজির সাহায্য নেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা এবং তারপর তা নিশ্চিত করা হয়।
যদিও পুরো ঘটনায় চিকিৎসকদের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন মৃতের এক আত্মীয়। তাঁর বক্তব্য, “দেহ মৃত্যুর পরই ছেড়ে দেওয়া হয়। যথেষ্ট গরম ছিল শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পরেও।” তবে এক চিকিৎসকের বক্তব্য, “অনেক সময়ে মাসল ফাইবারে কিছু কেমিক্যাল চেঞ্জ হয়ে থাকে মৃত্যুর ৩-৪ ঘন্টা পরেও। তখন নাড়াচাড়া করে দেহ। এটিকে বলা হয় রাইগর মর্টিস চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়। হয়তো এক্ষেত্রে তাই হয়েছে।” অন্যদিকে হাসপাতালের এমএসভিপি ৪ ঘন্টা দেহ পর্যবেক্ষণে না রেখে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগটি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। ডেথ সার্টিফিকেটে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু বলে উল্লেখ করা হয়েছে।






