ডাঃ বি সি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর রজত জয়ন্তী বর্ষের সূচনা
Commencement of Silver Jubilee Year of Dr BC Roy Engineering College

Truth Of Bengal : রাহুল চট্টোপাধ্যায় : রাজ্য তথা দেশের প্রখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুর্গাপুরের ডক্টর বি সি রায় সোসাইটি র অধীন ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রজত জয়ন্তী বর্ষের সূচনা হলো দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে। বুধবার বিকালে।
বর্ষব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি চলবে বলে জানালেন ডঃ বি সি রায় সোসাইটি র সভাপতি প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাক্তার সত্যজিৎ বোস।
ডক্টর বি সি রায় সোসাইটির অন্তর্গত ডঃ বি সি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,ডক্টর বি সি রায় কলেজ অফ ফার্মেসি এন্ড এলায়েড হেলথ সাইন্সেস, ডক্টর বি সি রায় একাডেমি অফ প্রফেশনাল কোর্সেস, ডক্টর বি সি রায় পলিটেকনিক অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দেশ তথা রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসরো সদর দপ্তরের এডভান্স টেকনোলজি এন্ড প্ল্যানিং এর প্রাক্তন অধিকর্তা পদ্মভূষণ ডক্টর এস নামবি নারায়নন , ইন্ডিয়ান সোসাইটি ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন ,আই এস টি ই এর সভাপতি ডঃ প্রতাপ সিন কাকা সাহেব দেশাই, স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের সমবায়, পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ কুমার মজুমদার, বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী , পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস পোন্নাবলম, দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক ড.সৌরভ চ্যাটার্জী , আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান প্রখ্যাত শিল্পদ্যোগী কবি দত্ত, ড. বি সি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর সঞ্জয় এস পাওয়ার,কলেজের কোষাধ্যক্ষ জারনেইল সিং, দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগমের চেয়ারম্যান সুভাষ মন্ডল ,দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তী,রামকৃষ্ণ মিশন আসানসোল শাখার সম্পাদক স্বামী সোমাত্মানন্দ, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রাক্তন উপাচার্য ও ডা.বি সি রায় সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.সৈকত মৈত্র,ডঃ বি সি রায় সোসাইটির সভাপতি ও মিশন হসপিটালের চেয়ারম্যান ,প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা.সত্যজিৎ বোস এবং ডক্টর বি সি রায় সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও মিশন হসপিটাল এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর তরুন ভট্টাচার্য সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। ছিলেন এলাকাবাসী, ছাত্র ছাত্রী, অধ্যাপক ও শিক্ষা কর্মীরা।

উল্লেখ্য, দুর্গাপুরে ২৪ বছর আগে ২০০০ সালে ডক্টর বি সি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সূচনা করেন ডঃ বি সি রায় সোসাইটির সভাপতি ডক্টর সত্যজিৎ বোস এবং সাধারণ সম্পাদক তরুণ ভট্টাচার্য। তার কিছুদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০১ সালে দুর্গাপুরে এই কলেজের উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
তারা বর্তমানে রাজ্য সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য আবেদন করেছেন বলে জানালেন ড.বিসি রায় সোসাইটি সাধারণ সম্পাদক তরুণ ভট্টাচার্য। এইজন্য তারা এলাকার বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ কুমার মজুমদারকে অনুরোধ করেছেন। তিনিও উচ্চশিক্ষা ও স্কুল শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ব্রাত্য বসুর কাছেও এই বিষয়ে সুপারিশ করেছেন।
এলাকার বিধায়ক ও রাজ্যের সমবায়, পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ কুমার মজুমদার, দুর্গাপুর সহ রাজ্যে শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে ডা.বি সি রায় সোসাইটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
দুর্গাপুরের উন্নয়নে প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তী র কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ও আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ র চেয়ারম্যান ও প্রখ্যাত শিল্পদ্যোগী কবি দত্ত।
বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পশ্চিম বর্ধমান জেলার উন্নয়নে জেলা শাসক এস পোন্নাবলম এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন জেলাশাসককে প্রয়োজনে মধ্যরাতেও পাওয়া যায়।
এ ডি ডি এ র চেয়ারম্যান কবি দত্ত ,আগামী ছাত্র যুব প্রজন্মের উদ্দেশ্যে অনুরোধ করেন, তারা ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেও যেন দুর্গাপুরের উন্নয়নে সর্বতোভাবে ভূমিকা পালন করেন। তারা তাদের শিকড় কে যেন ভুলে না যায়।
বুধবার সকালে” আগামীতে সবুজায়নের লক্ষ্যে দুর্গাপুরের জন্য দৌড় “এই শিরোনামকে সামনে রেখে পুরুষদের জন্য ১৪ কিলোমিটার ও মহিলাদের জন্য ৫ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড় অনুষ্ঠিত হয়।
সূচনা করেন দুর্গাপুর মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের চেয়ারপারসন অনিন্দিতা মুখার্জি, ডঃ বি সি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর অধ্যক্ষ ডাক্তার সঞ্জয় এস পাওয়ার, ডক্টর বিসি রায় সোসাইটির সভাপতি ডাঃ সত্যজিৎ বোস এবং সাধারণ সম্পাদক তরুণ ভট্টাচার্য ।
এ
ই ম্যারাথন দৌড়ে পুরুষদের মধ্যে প্রথম হন অভিষেক কুমার ও মহিলাদের মধ্যে প্রথম হন অঞ্জলি কুমারী।
এদেরকে ২৫ হাজার টাকা, শংসাপত্র এবং স্মারক তুলে দেয়া হয় ডাক্তার বি সি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কমিটির পক্ষ থেকে।
এই পুরস্কার তুলে দেন অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত দৌড়বিদ সরস্বতী সাহা এবং শুটার ভগীরথ শর্মা, কমনওয়েলথ ব্রোঞ্চ পদক বিজেতা রহমাতুল্লাহ মোল্লা, কলকাতা পুলিশের প্রধান প্রশিক্ষক বিনোদ রায় ,পশ্চিমবঙ্গ অ্যাথলেটিকস্ অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক কমল কুমার মিত্র। সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে বিকালের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিজ্ঞানী ডক্টর নামবি নারায়নণ ভারতের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বিক্রম সারাভাই,সতীশ ধাওয়ান এর অসামান্য অবদানের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন।


