বাড়িতে নেই অনুব্রত, তবু ভোটে আছেন, রাজনীতির কেষ্ট-কথা কী বলছে ?
Anuvrata is not at home, but he is in the polls, what is the talk of politics

The Truth of Bengal: গরু পাচার মামলায় তিনি এখন তিহাড় জেলে।কারাগারে দিন কাটছে বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডলের। তবে ভোটে না থেকেও তিনি রয়েছেন বীরভূমে। দিল্লিতে থাকলেও অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে জোরদার চর্চা চলছে। কেন এখন ভোটের ঢাকে চড়াম চড়াম আওয়াজ নেই।আলোচনায় ওঠে না,গুড় বাতাসার কথা।পাঞ্জাবী পরিহিত সেই মানুষটিকে মিস করে বীরভূম। মুখে কেষ্টদার সমালোচনা করলেও আসলে মনে মনে জানেন,রাজনীতির কিছু ব্যত্তিত্ব আছেন যাঁরা ধারেভারে সবপক্ষকে লড়াইয়ের মাঠে বাড়তি উদ্যম এনে দেন। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, অনুব্রত-র বাক্যবাণ লড়াইয়ের ধার বাড়াত বিরোধী শিবিরেরও। কিভাবে তৃণমূলকে টক্কর দেবেন বিরোধীরা তার ঘুঁটি সাজানোর কাজ চলত।এখন সেই অনুব্রতহীন বীরভূমে অন্য কায়দায় লড়তে হচ্ছে বাম-বিজেপি সহ বিরোধীদের।
কেউ কেউ বলছেন, তৃণমূলের দাপুটে নেতার গলার আওয়াজ বীরভূমকে তপ্ত করে রাখত। তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধী শত অভিযোগ বা মন্তব্য করলেও রাজনীতির কেষ্ট-কথা তাঁরা কিছুতেই ভুলতে পারেন না। বলাই যায়, লালমাটির জেলার রাজনীতির আঙিনায় তিনি এখনও জনপ্রিয়। প্রতিপক্ষ শিবিরের লোকেরা তাঁকে কটাক্ষ বা কটূ কথা বহু মানুষের কাছে তিনি আলাদা আসনে রয়েছেন।দেখা যাচ্ছে নীচুপট্টির বাড়ি সাজানো গোছানো রয়েছে বলেও আসল মালিকই নেই। সেই চেয়ার,সেই আসবাব সমান গরিমায় রয়েছে।
আগে ভোটের আগে অনুব্রত-র বাড়ির নীচে লাইন দেখা যেত মানুষের। এখন নিরাপত্তারক্ষীরা পাহারা দেন। মাঝে মাঝে আত্মীয়স্বজনরা আসেন। বাড়ির কাজের লোকেরাও মাঝে মাঝে এসে ঘর পরিষ্কার করেন। তবে এই বাড়িতে তা ছাড়া আরও কারও প্রবেশাধিকার নেই ওই বাড়িতে। তালবন্ধই হয়ে পড়ে থাকে অনুব্রত মণ্ডলের ঝকঝকে সেই বাড়িটি। এর মধ্যে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ির ছাদে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা ওড়ায় বিতর্ক বেঁধেছে। কে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ির ছাদের মাথায় এই গেরুয়া পতাকা লাগিয়ে গেল তা নিয়ে চায়ের ঠেক থেকে বাড়ির বরান্দা সর্বত্র আলোচনা চলছে।






