পরীক্ষা মূলক ভাবে চাষ করা হচ্ছে বাদামের, লাভের আশায় দিন গুণছেন চাষীরা
Peanuts cultivation

The Truth of Bengal: চিরাচরিত আলু-পাট চাষ করে অনেকসময় কৃষকদের লাভ হচ্ছে না। তাই চাষিরা অল্পসময়ের অর্থকরী ফসল চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকসমাজ। চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। চাষে ড্রোনের ব্যবহার করে হুগলির চাষিরা হয়ে উঠছেন স্মার্ট কৃষক। পাঞ্জাব, কেরল এর মতন এলাকায় আগেই শুরু হয়েছিল কৃষি কাজে টেকনোলজির ব্যাবহার। হুগলির কৃষকরাও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে করছেন কৃষিকাজে। হুগলি জেলায় প্রাক-খরিফ মরসুমে চিনাবাদামের চাষ করে থাকেন অনেকে।
রাজ্যের অন্যত্রও খরিফ ও রবি মরসুমের তুলনায় ফাল্গুন-চৈত্র মাসে চিনাবাদাম চাষের চল বেশি। শুধু অর্থকরী ফসল হিসাবেই নয়, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতেও এর অসীম ভূমিকা। গম, তিল, অড়হর ও আউশ ধানের সঙ্গে ‘সঙ্গী ফসল’ হিসাবে এই চাষ করা যায়। তথ্য বলছে,চীনাবাদাম হল উত্কৃষ্ট ভোজ্য তৈলবীজ।রয়েছে শতকরা প্রায় ৫০ভাগ তেল,প্রায় ২৯ভাগ রয়েছে আমিষ।সেকথা মাথায় রেখেই পুরশুড়ার কৃষি দফতর ও পঞ্চায়েত সমিতি,বাদাম বীজ বন্টন করে।
পুরশুরায় গত কয়েক বছর পরীক্ষামূলক বাদাম চাষ করা হচ্ছে। কম ঝুঁকি, ব্যাপক চাহিদা ও বাজারে বাদামের ভালো দাম থাকায় চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এখানকার কৃষকেরা। এবার কৃষি দফতরের এবং পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এলাকার কৃষকেদের বাদাম তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন আধিকারিকরা। প্রায় ৪০০ জন স্থানীয় কৃষকদের হাতে বাদাম বীজ তুলে দেওয়া হয়। কৃষকরা এই বীজ পেয়ে বেজায় খুশি। কম ঝুঁকি, ব্যাপক চাহিদা ও বাজারে বাদামের ভালো দাম থাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে বাদাম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এখানকার চাষিরা।তাঁদের আশা এই অর্থকরী চাষ লক্ষ্ণীলাভে সাহায্য করবে।






